ঢাকা, আগস্ট ১৫, ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, স্থানীয় সময়: ১৪:১৫:৫৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহাজ হামলার শিকার কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, অলৌকিক আশায় স্বজনরা আক্রমণ ও নির্যাতনের শিকার অসহায় মায়েরা কিয়েভের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিচ্ছেন ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শুল্কারোপে ৪ লক্ষ মার্কিনীর চাকরি হারানোর ঝুঁকি নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবিতে প্রাণহানি ২৭ জনের; নিখোঁজ শতাধিক শুল্কারোপের হুমকিতে ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাত করতে যুক্তরাষ্ট্রে জাস্টিন ট্রুডো ভারতের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১০ নবজাতকের মৃত্যু: রাজ্য সরকার ক্যারোলিন হচ্ছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি গাজা যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৪১ হাজার ১৮২ রোমানিয়ার বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, অলৌকিক আশায় স্বজনরা

| ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ | Saturday, August 15, 2026

ঢাকা, ১৫ আগস্ট : কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার চার দিন পর শুক্রবার ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে, এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ থাকায় উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।

ভূমিকম্পের পর বেঁচে থাকা কারও সন্ধানে স্বেচ্ছাসেবক ও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের কোনো চিহ্ন খুঁজে চলেছেন। জীবিতদের উদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও তারা কঠিন ও ক্লান্তিকর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

চলতি শতাব্দীতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কালি ও পেরেইরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১৩ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা জানান, ভূমিকম্পে অন্তত ২৮৭ জন নিহত হয়েছেন।

আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। এ ছাড়া প্রায় ৩৭৯ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

পেরেইরায় একটি হোটেলের ধ্বংসস্তূপে কয়েক দিন ধরে ছেলেকে খুঁজছিলেন হার্নান গিরালদো। শুক্রবার বিকেলে তিনি অবশেষে তাঁর ছেলে হুয়ান ফেলিপে গিরালদোর মরদেহ খুঁজে পান। ২৪ বছর বয়সী হুয়ানের আগামী রোববার বিয়ে করার কথা ছিল।

শহরের অন্য একটি এলাকায় এক বয়স্ক ধর্মযাজক ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে হেঁটে ক্লান্ত উদ্ধারকর্মীদের আলিঙ্গন করেন।

-পরিস্থিতি ভয়াবহ-

ক্ষমতায় আসার প্রথম সপ্তাহেই কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা। ভূমিকম্পে একাধিক শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, অথচ সরকার এখনো পুনর্গঠনের সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করতে পারেনি।

নতুন প্রেসিডেন্ট দেশে  ‘অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন। সপ্তাহজুড়ে তিনি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শহর পরিদর্শন করে ঘরবাড়ি হারানো মানুষদের বাড়ি ভাড়া সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

পেরেইরায় গিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি ভয়াবহ।’

দারিদ্র্যপীড়িত ও ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত চোকো অঞ্চল পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, তিনি এলাকাটির জন্য একটি ‘মার্শাল প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে চান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া বিশাল কর্মসূচির নাম থেকেই এ পরিকল্পনার ধারণা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।