ঢাকা, অক্টোবর ২৬, ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮, স্থানীয় সময়: ০১:২৫:৫১

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ঘরে বসেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া যাবে বিএনপি আরো একটি ওয়ান ইলেভেনের স্বপ্নে বিভোর : সেতুমন্ত্রী দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত : প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পূজামন্ডপে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১৬ জন রিমান্ডে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও দুই মামলার তদন্ত শেষ জামায়াত ইসলামীর বিচার প্রকাশ্য আদালতে হওয়া উচিত : তদন্ত সংস্থা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে, বেড়েছে সুস্থতা খালেদার দু’মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ৩ নভেম্বর

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের নিচে

| ১৫ আশ্বিন ১৪২৮ | Thursday, September 30, 2021

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে একটানা ১৪ দিন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জনের নমুনায় ভাইরাস শনাক্ত হয়। সংক্রমণ হার ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৩ রোগির মৃত্যু হয়।
করোনা সংক্রান্ত চট্টগ্রামের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রেরিত আজকের প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর সরকারি-বেসরকারি বারো ল্যাব এবং এন্টিজেন টেস্টে গতকাল বুধবার চট্টগ্রামের ১ হাজার ৭৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ৪৪ জনের মধ্যে শহরের ২৪ ও ছয় উপজেলার ২০ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ হাটহাজারীতে ১৪ জন, বোয়ালখালীতে ২ জন এবং রাউজান, লোহাগাড়া, পটিয়া ও চন্দনাইশে একজন করে রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১ লাখ ১ হাজার ৭২৪ জন। এদের মধ্যে শহরের ৭৩ হাজার ৬৭১ জন ও গ্রামের ২৮ হাজার ৫৩ জন।
গতকাল করোনায় শহরের এক ও গ্রামের ২ রোগির মৃত্যু হয়। মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার ২৯৯ জন। এতে শহরের ৭১৬ ও গ্রামের ৫৮৩ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে ৫৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শহরের ৪ জন জীবাণুবাহক পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ১৭৯ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ৪ ও গ্রামের ২ জন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হন। ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৮২টি নমুনার মধ্যে শহরের ৭ ও গ্রামের ১৫টিতে ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে শহরের ৩ ও গ্রামের ১ জনের শরীরে জীবাণুর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়। নগরীর বিশেষায়িত কভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ পরীক্ষিত ৯টি নমুনায় শহরের একটির রেজাল্ট পজিটিভ আসে। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন কেন্দ্রে ১০৫ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে শহরের একজন আক্রান্ত বলে জানানো হয়।
বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ৪৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে শহর ও গ্রামের একটি করে, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৬২ নমুনায় শহরের ২ ও গ্রামের ১টি এবং ল্যাব এইডে ৪টি নমুনার মধ্যে শহরের একটিতে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৮৬টি, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ২২টি ও এপিক হেলথ কেয়ারে ৮২টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে একটিতেও করোনার জীবাণু মিলেনি। চট্টগ্রামের ৫ জনের নমুনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। এ গুলোর রিপোর্টও নেগেটিভ আসে।
ল্যাবভিত্তিক গতকালের রিপোর্ট পর্যবেক্ষণে সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়, বিআইটিআইডি’তে ০ দশমিক ৭২ শতাংশ, চমেকে ৩ দশমিক ৩৫, সিভাসু’তে ১২ দশমিক ০৯, চবি’তে ৫ দশমিক ৮০, আরটিআরএলে ১১ দশমিক ১১, এন্টিজেন টেস্টে ০ দশমিক ৯৫, শেভরনে ০ দশমিক ৪৬, মা ও শিশু হাসপাতালে ৪ দশমিক ৮৪, ল্যাব এইডে ২৫ এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ০ শতাংশ।