ঢাকা, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, স্থানীয় সময়: ১৬:২৫:২০

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

২১ সংগঠনের সমন্বয়ে নারায়ণগঞ্জ সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ভারতের উচিত সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২০-২৫ আগস্টের মধ্যে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী নৈতিকতাবোধ থেকেই অফিস থেকে হাসিনার ছবি সরিয়ে ছিলাম : জাবি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বিএনপির ৩১ দফার অধিকাংশ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে : রুহুল কবির রিজভী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাগেরহাটে পুলিশের নজরকাড়া মহড়া রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে খাদ্য সহায়তা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সম্মিলিত অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত: ছাত্রদল নেতা অনীক

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায় আগামীকাল

| ১৬ অগ্রহায়ন ১৪৩১ | Saturday, November 30, 2024

ঢাকা : বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্ট রায় আগামীকাল।

গত ২১ নভেম্বর মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে কোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য রেখেছিল হাইকোর্ট।

বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয় গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আজ অপেক্ষামাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেন। আগামীকাল রায় ঘোষণার বিষয়টি জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এই ঘটনায় আনা মামলায় ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায় দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌছে। পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্ট রায়ের অপেক্ষায়।

এ মামলায় বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।