ঢাকা, এপ্রিল ২৩, ২০১৮, ১০ বৈশাখ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৭:৫০:১২

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

তপন সাহা ও তার পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ১১দিন পেড়িয়ে গেলেও মামলা নেয়নি সোনারগাঁ থানাপুলিশ : চরম আতংকে সংখ্যালঘু পরিবারটি। মৌলভীবাজারে আগর শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : আমু এশীয় অঞ্চলের ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীলতা : প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথের ২৫তম সিএইচওজিএম উদ্বোধন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগদান কচুয়ায় বল্লব দাসের বসতবাড়ি উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ : পরিদর্শনে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ঘোষণায় লন্ডন ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন হতাশ : ওবায়দুল কাদের পরিচ্ছন্নতায় নতুন রেকর্ড গড়েছে ঢাকা : এখন স্বীকৃতির অপেক্ষা বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস : স্পিকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা দেবে তাজিকিস্তান আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে : এরশাদ

‘জিয়াউর রহমানকে কখনো বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় নেতা বলিনি’

দেশের খবর | ৩ চৈত্র ১৪২৪ | Saturday, March 17, 2018

‘জিয়াউর রহমানকে কখনো বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় নেতা বলিনি’

ঢাকা, ১৬ মার্চ- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জিয়াউর রহমানকে কখনো বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় নেতা বলিনি। কিন্তু সেই মানুষটা নিজের হাতে কার পরামর্শে কেন করলেন জানি না, গণতন্ত্রকে জবাই করে একদলীয় স্বৈরশাসন কায়েম করলেন।শুক্রবার (১৬ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলার কনফারেন্স হল রুমে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

খালেদা জিয়াসহ সব নেতাদের মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী ডাক্তারদের সংগঠন ‘ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ড্যাব) এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো এই, যার নামে আমরা লড়াই করলাম, এটাতো সত্য কথা শেখ সাহেবের (শেখ মুজিবুর রহমান) নামে আমরা লড়াই করেছি। জিয়াউর রহমান সাহেব আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন এবং তারপরে ঘোষণা সংশোধন করে সেই নেতার নামেই ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা বিএনপি কোনোদিনই বলি না যে, জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবুরের চেয়ে বড় নেতা। নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের নামটাই ছিল অনেক বড়। কিন্তু সেই মানুষটা নিজের হাতে কার পরামর্শে কেন করলেন জানি না, গণতন্ত্রকে জবাই করে একদলীয় স্বৈরশাসন কায়েম করলেন।

তিনি বলেন, আমার ধারণা তিনি যাদের জন্য এটা করেছেন তাদের কথা উনি তার বক্তব্যে বার বার বলেছেন। একবার আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, সবাই পায় সোনার খনি, আমি পেয়েছি চোরের খনি। ডানে তাকাই চোর, বাঁয়ে তাকাই চোর, সামনে চোর, পেছনে চোর, চতুর্দিকে তো চোর। এই যে পরিস্থিতি তাকে সেই জায়গায় নিয়ে গেছে। তার পরিণতিতে এই হয়েছে যে দেশ গণতন্ত্র হারিয়েছে। সেই গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠা করতে আবার অনেক বছর লেগেছিল।

‘বিএনপির মরা গাঙ্গে আর জোয়ার আসবে না’- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, আমি বলতে চাই, আপনার দল ২১ বছর মরা গাঙ্গ ছিল। তারপরে জোয়ার এলো। আপনাদের যদি ২১ বছর পরে মরা গাঙ্গে জোয়ার আসতে পারে, বিএনপির গাঙ্গে আসতে অসুবিধা কি?

আরও পড়ুন: ত্রিভুবনের অব্যবস্থাপনাই ট্র্যাজেডির জন্য দায়ী : নেপালি টাইমস

তিনি বলেন, আসলে তারা এতো অন্যায় অনাচার করেছে যে এখন ক্ষমতায় থেকে সরতে ভীষণ ভয় পায়। ওনাদের খাদ্যমন্ত্রীতো বলেছেন, বিএনপি জিতলে আমরা সব রোহিঙ্গা হয়ে যাব। আচ্ছা রোহিঙ্গা হলে তারা কোথায় যাবে। ইন্ডিয়া যাওয়ারতো উপায় নাই। তারাতো আগেই বলে দিয়েছে আসামের বাঙালিদের ফেরত পাঠাবে। তাহলে তারা যাবে কোথায়?

ড্যাব সভাপতি ডা. এমএ কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড্যাব মহাসচিব ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান, ড্যাবের যুগ্ম-মহাসচিব ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ছড়াকার আবু সালেহ প্রমুখ।

সূত্র: বাংলা নিউজ