ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০৯:৫৩:০৪

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন : হাসিনা সরকারের ওপর আস্থা রাখছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র খুলনায় মন্দির থেকে প্রতিমার স্বর্ণালংকার চুরি জাতিসংঘ অধিবেশনকালে দুটি পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসবভনে বন্দী ছিলাম, মিডিয়াকে বলা হয়েছে আমি অসুস্থ: সিনহা বাংলাদেশের সামনে ২৫৬ রানের চ্যালেঞ্জ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে দীর্ঘ অবস্থানের কোন সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নারীর সুরক্ষায় প্রস্তাবিত আইনটি পাস হওয়া জরুরি : ডেপুটি স্পিকার পবিত্র আশুরা আগামীকাল জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশ্যে কাল ঢাকা ত্যাগ

হয়রানি মুক্ত সেবা প্রদানে পুলিশের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহবান

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৬ পৌষ ১৪২৪ | Tuesday, January 9, 2018

ঢাকা: রাষ্ট্রপতি এম আব্দুল হামিদ সেবা প্রার্থীদের হয়রানিমুক্ত সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে পুলিশের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, হয়রানি মুক্ত সেবা পাওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। এ কথা বিবেচনায় রেখে জনগণের জন্য হয়রানি মুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সোমবার পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক নৈশ ভোজসভায় বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, দেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ সাধারণত থানা অথবা পুলিশের কাছে যেতে চায় না। তারা খুব অসহায় হয়ে পড়লেই তখন বাধ্য হয়ে পুলিশের সাহায্য নেয়। সারাদেশে তৃণমূল পযার্য়ে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশের ওপর যখন জনগণের পূর্ণ আস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তাদের দুঃসময়ে কাংক্ষিত সেবা পাবে, তখনি তারা মনে করবে পুলিশ তাদের বন্ধু।
তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, পুলিশ সন্ত্রাসী ও জঙ্গি তৎপরতা দমনে, অপরাধীদের আটক করতে এবং স্পর্শকাতর মামলার চার্জ শিট দ্রুত প্রদানের পাশাপাশি সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রেখে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দেশের অগ্রগতি প্রসঙ্গে আবদুল হামিদ বলেন, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা বিঘিœত হলে উন্নয়ন থেমে যাবে, মানুষ অনিরাপদ বোধ করবে, বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটবে।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ক্রমান্বয়ে সাইবার অপরাধ বাড়ছে এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বেশির ভাগই কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম।
মাদকাসক্তি ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার তরুণদের অপরাধের দিকে ধাবিত করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করে যে, দেশ ও দেশের মানুষের আকাংখা পূরণে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
বক্তব্যের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ দেশপ্রেমিক সৈনিকগণ বিশেষ করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল্্রাতে নৃশংসভাবে নিহত পুলিশ সদস্য এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগী লোকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এমপি, জননিরাপত্তা বিভাগের সচি মোস্তফা কামার উদ্দিন, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ এবং রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।