ঢাকা, আগস্ট ১৬, ২০১৮, ১ ভাদ্র ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৫:৫৬:৪৮

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

রবি ঠাকুরের ছবি দিয়ে সারার ইনস্টাগ্রামে অভিষেক নেপালকে হারিয়ে শেষ চারে বাংলাদেশের মেয়েরা বুদ্ধিমান মানুষের ৫ বৈশিষ্ট্য পনেরই আগস্টের কাল রাত্রীকে উপজীব্য করে প্রথম মঞ্চ নাটক ‘শ্রাবণ ট্র্যাজেডি’র উদ্বোধনী মঞ্চায়ন সোমবার পাকিস্তানকে গোল বন্যায় ভাসিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ছবি আঁকলেন দেশের ৫০ জন শিল্পী শামির ক্যারিয়ারে বাধা হতে পারেনি স্ত্রীর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ও পুরস্কার’ প্রদান অ্যালোভেরার আট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তামিমের সেঞ্চুরিতে নয় বছর পর বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

সব চুলকানিতে অ্যান্টি হিসটামিন-জাতীয় ওষুধ কাজ করে?

স্বাস্থ্য ও বিনোদন | ২৪ ভাদ্র ১৪২৪ | Friday, September 8, 2017

সব চুলকানিতে অ্যান্টি হিসটামিন কার্যকর নয়। ছবি : সংগৃহীত

শরীর চুলকানো একটি প্রতিদিনের সমস্যা। শরীর একটু চুলকালেই অধিকাংশ লোক অ্যান্টি হিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ, যেমন হিস্টাসিন, অ্যান্টি হিসটাসিন, হিস্টাল, এভিল, অ্যালাট্রল, লোরাটিন ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। এসব অ্যান্টি হিসটামিন-জাতীয় ওষুধ সব ধরনের চুলকানিতে কার্যকর নয়। কিন্তু অনেকেই যে কোনো চুলকানিতে অ্যান্টি হিসটামিন ওষুধ খেয়ে ফেলেন। এটি মোটেও ঠিক কাজ নয়। চুলকানোর কারণ না জেনে অযথা অ্যান্টি হিসটামিন-জাতীয় ওষুধ খেয়ে কোনো লাভ নেই। এতে ওষুধগুলোর অপচয় হচ্ছে।
শরীর চুলকানোর অনেক কারণ রয়েছে। আবার অন্যদিকে অ্যান্টি হিসটামিন জাতীয় ওষুধ হিসটামিনের বিপরীতে কাজ করে। শরীর বিশেষ কিছু বিরূপ পরিবেশের মুখোমুখি হলে রক্তে হিসটামিন নামক একধরনের পদার্থ বেরিয়ে আসে। হিসটামিন নামক এই পদার্থটি চুলকানির উদ্রেক করে থাকে। সাধারণত অ্যালার্জিজনিত কারণে শরীরে হিসটামিনের আগমন ঘটে এবং শরীর চুলকায়। কাজেই যেসব চুলকানি হিসটামিনের কারণে হয়, শুধু মাত্র সেসব ক্ষেত্রে অ্যান্টি হিসটামিন জাতীয় ওষুধ কার্যকর হবে। অন্য কারণে শরীর চুলকালে সেক্ষেত্রে অ্যান্টি হিসটামিন জাতীয় ওষুধ বিশেষ কোনো কাজে আসবে না। শরীর চুলকায়, অথচ অ্যান্টি হিসটামিনের কোনো ভূমিকা নেই, তেমন কিছু পরিস্থিতি :
ডায়াবেটিসের কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে।

মানসিক কারণে কিংবা চকলেট খেলে এড্রেনার্জিক আর্টিকেরিয়া দেখা দিলে।

অতিরিক্ত পরিশ্রম ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা।

রৌদ্রের প্রভাবে চুলকালে বা সোলার আর্টিকেরিয়া হলে।

রক্তশূন্যতা

অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস

কিডনির দুর্বল কার্যকারিতার কারণে ইউরিয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলে।

কিছু কিছু চর্মরোগ প্যারক্সিসমাল প্ররাইটিস বা হঠাৎ চুলকানি হলে।

গর্ভাবস্থায়।

শীতকালে অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করলে।

মাথা চুলকালে
কৃমি, ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়ার জন্য পায়ুপথ এবং প্রসবপথের আশপাশে চুলকালে। উল্লিখিত চুলকানিতে অ্যান্টি হিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ খেলে কোনো লাভ হয় না। কাজেই চুলকালেই অ্যান্টি হিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ খেতে হবে এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। অ্যান্টি হিস্টামিন সব চুলকানির বিরুদ্ধে কার্যকর ওষুধ নয়।
 লেখক : ডা. সজল আশফাক,সহযোগী অধ্যাপক, হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ।