ঢাকা, মে ২৪, ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০২:৫৫:২৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

গণআন্দোলনের মুখে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে সরকার:খন্দকার মোশাররফ হোসেন ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদে ফেলার সুযোগ থাকবে না’ এদেশের সংখ্যালঘু মানুষেরও একটা ভোট দেয়ার সমান অধিকার রয়েছে : পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী ‘৩৩৩’ নম্বরে ফোন করে পাওয়া যাবে ইসলামিক সেবা প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকারমূলক কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে স্বাবলম্বী হচ্ছে গ্রামের হতদরিদ্র লাখো পরিবার কেসিসি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে : ইডব্লিউজি জনগণের সেবা প্রাপ্তী নিশ্চিত করুন : পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সমর্থিতদের নিরঙ্কুশ জয় প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের ওপর ডাটাবেজ তৈরি করতে সায়মা ওয়াজেদের আহবান

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ৩ ফাল্গুন ১৪২৪ | Thursday, February 15, 2018

ঢাকা : রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকল সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মঙ্গলবার বিকেলে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)’র তৃতীয় সমাবর্তনে নতুন গ্রাজুয়েটদের বলেন, এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোন ঠাঁই নেই।
রাষ্ট্রপতি ও বিইউবিটি’র চ্যান্সেলর বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, চারিত্রিক দৃঢ়তা, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বে উদ্বুদ্ধ হয়ে সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মনে রাখতে হবে, দেশপ্রেম ও ত্যাগী মনোভাব ব্যতীত ত্রিশ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এ মাতৃভূমির সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।
মুক্তবাজার অর্থনীতির বর্তমান বিশ্ব তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশ্বিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির স্বার্থক ব্যবহারেও শিক্ষার্থীদের পারদর্শী হতে হবে।
তিনি দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বিজনেস এডুকেশনের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি যুক্ত করার পরামর্শ দেন।
দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি বলেন, বেরসকারি খাতের অংশগ্রহণের ফলে কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং ব্যবসা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবলের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম ও পাঠদান পদ্ধতি যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয়, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পল্লী অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব ও ক্রীড়া, সামাজিক নিরাপত্তা, বহুমুখী পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স ও আর্থিক খাতের বিকাশসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে।
রাষ্ট্রপতি নতুন গ্রাজুয়েটদের রাষ্ট্রের বিবেকবান নাগরিক হিসেবে সত্য ও ন্যায়কে সমুন্নত রাখা এবং ডিগ্রির মর্যাদা, ব্যক্তিগত সম্মানবোধ ও নৈতিকতাকে ভুলুণ্ঠিত না করার আহ্বান জানান।
তিনি গ্রাজুয়েটদের বলেন, অসত্যের কাছে আপোস করবে না। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকো না কেনো, দেশ ও জনগণের কথা ভুলবে না।
ভাষণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অধ্যাপক এমিরিটাস ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ এফ এম সারোয়ার কামাল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং বিইউবিটি উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সালেহ অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।