ঢাকা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১২:৫৩:৪৪

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিন্দা প্রস্তাব নাকচ রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় বিধানসভার ভোটগ্রহণ:রাজস্থানে ৭২.৭০ শতাংশ এবং তেলেঙ্গানায় প্রায় ৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে ড্রোন হামলায় হেলমান্দের তালেবান কমান্ডার নিহত জ্বালানি কর বাড়ানো থেকে পিছু হটছে ফ্রান্স ওয়াশিংটনে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট বুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিল পেশ ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন পরিস্থিতি তুলে ধরলেন পুতিন বাণিজ্য যুদ্ধ বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ হাকিম মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা সহ্য করবে না সৌদি আরব

শিগগির রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া হবে : মিয়ানমার মন্ত্রী

| ২৯ চৈত্র ১৪২৪ | Thursday, April 12, 2018

ঢাকা : মিয়ানমারের সফররত সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ড. উইন মিয়াত আই বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বল্প সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
মন্ত্রী ড. উইন আজ কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শনকালে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শিগগির মিয়ানমারে প্রত্যাবাসিত হবেন। সরকার আপনাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাসস’র কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, পরিদর্শনের সময় রোহিঙ্গারা মন্ত্রীকে বলেন যে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আগে তাদের অধিকার নিশ্চিত করে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী পরে সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার সরকারের গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের শিগগির ফিরিয়ে নেয়া হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে তার আড়াই ঘন্টা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী ৩০ জন রোহিঙ্গা, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শনে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদানকারী সফররত মন্ত্রী দুপুর দেড়টায় আশ্রয় শিবিরে পৌঁছলে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মাদ আবুল কালাম তাকে অভ্যর্থনা জানান।
এর আগে মিয়ানমারের মন্ত্রী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য আজ সকালে দু’দিনের সফরে ঢাকা পৌঁছেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। জাতিসংঘের হিসেবে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার শিকার হয়ে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসযজ্ঞকে জাতিগত নির্মূলের সুস্পষ্ট নজির হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।