ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০০:১১:১৬

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার তালিকা হস্তান্তর বাংলা ভাষা সেমিনারে হাসানুল হক ইনু : শুদ্ধ উচ্চারণ ও বানানে সকল দপ্তরে বাংলা তরুণ প্রজন্মই জাতির ভবিষ্যৎ : স্পিকার রোহিঙ্গাদের তিন পর্যায়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার যশোরে বাংলাদশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের জেলা কমিটি গঠন:প্রধান অতিথী মানিক চন্দ্র সরকার। নরসিংদিতে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে ধর্মসভা :আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহন সেনবাগে মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ সুবিধাবঞ্চিতদের গোলাপ খাবার দিয়ে ভালোবাসা দিবস পালন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে আদালতের ওপর ইইউর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়েছি: ফখরুল

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সংকট নিরসনের সর্বোত্তম উপায়

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২১ কার্তিক ১৪২৪ | Sunday, November 5, 2017

ঢাকা : যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা, উদ্বাস্তু ও অভিবাসন বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী সাইমন হেনশো সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নৃশংসতার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের সফররত এই কর্মকর্তা বলেন, ‘রোহিঙ্গা জনগণের প্রত্যাবাসনের দায়িত্ব মিয়ানমার সরকারের। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনই এই সংকট সমাধানের সম্ভাব্য সর্বোত্তম উপায়।’
তিনি বলেন, মানবাধিকার নিশ্চিত করে মিয়ানমার একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে পারে, যাতে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ বাসভূমি রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে পারে।
বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ওয়াশিংটন নেপিডোর ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্রুত তাদের বাড়িঘর ফিরিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
সাইমন হেনশোর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার সফর শেষে বাংলাদেশে আসে এবং ২ নভেম্বর থেকে দু’দিন কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করে।
গত আগস্টের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানের পর ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে, যাকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন’ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে একই সঙ্গে লাখ লাখ জনগণের পালিয়ে আসা নি:সন্দেহে উদ্বেগের বিষয়। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণকে নিরাপদে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে বলেছি।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হেদার নওয়ার্ট ও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।