ঢাকা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭, ৩ পৌষ ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ১৫:৪৫:২২

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

এমপি হ্যাপি বড়ালের মেয়ে অদিতি বড়ালকে ছুরিকাঘাত। তুরাগ নদ দখল করে থাকা ৩০ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের নির্দেশ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই নিরীহ জজ মিয়াকে দিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দেয়ানো হয় : রাষ্ট্রপক্ষ ইকুইভ্যালেন্সি সার্টিফিকেটের আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী বিচারকদের আচরণ বিধি প্রকাশ চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেপ্তার ৬৭ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে ঘুষ দিতে হয় : ইফতেখারুজ্জামান ‘আপনার সময় ঘনিয়ে এসেছে’, অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি আদালতে হাজিরা দিয়ে দুই মামলায় জামিন পেলেন খালেদা জিয়া কোচিংবাজ শিক্ষকরা দুদকের জালে

বিশ্বজিৎ হত্যায় হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষা

আইন ও মানবাধিকার, প্রধান সংবাদ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৪ | Sunday, August 6, 2017

 

দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের বিষয়ে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতির জন্য আবেদন) ও আসামিদের করা আপিলের রায় আজ ঘোষণা করা হবে।

বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে আজ রোববার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় আটজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রায় দেন বিচারিক আদালত।

২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার ও মীর মো. নূরে আলম লিমন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন—এ এইচ এম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এ ছাড়া তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২১ আসামির মধ্যে আটজন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে নির্মম খুনের শিকার হন দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে বিশ্বজিতের দর্জি দোকান ছিল। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।

Share

Tweet

Share

Share