ঢাকা, মে ২৭, ২০১৮, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০৩:০৯:১৯

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

পলাশবাড়ীর দুলাল ঠাকুরের বিরুদ্ধে দেব প্রতিমার প্রতি অসন্মানের অভিযোগ:বিচারের দাবীতে ফেইসবুকে তুলপার। শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট প্রদান মাদকের গডফাদাররা আ’লীগের লোক হওয়ায় অধরা : বিএনপি আজ সম্মানসূচক ডি.লিট পাচ্ছেন শেখ হাসিনা নজরুলের আদর্শে অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভারতীয় বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায় : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দৃঢ় ও অব্যাহত থাকবে : মমতা বাংলাদেশ ভবন উভয় দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতীক : মোদি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবদুল হামিদ ফের রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৫ মাঘ ১৪২৪ | Wednesday, February 7, 2018

 

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা আবদুল হামিদকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিইসি কে. এম. নুরুল হুদা আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

ইসির জনসংযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘আজ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করা হয়। মনোনয়নপত্র পরীক্ষার পর রাষ্ট্রপতি পদে জনাব মো. আবদুল হামিদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রপতি পদে জনাব মো. আবদুল হামিদ একমাত্র বৈধ প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব কে. এম. নুরুল হুদা, রাষ্ট্রপতি আইন ১৯৯১-এর ধারা ৭ মোতাবেক জনাব মো. আবদুল হামিদকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।’

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ ছিল মনোনয়নপত্র পরীক্ষার দিন। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। পরে সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি পদে অন্য কেউ প্রার্থী হলে নির্বাচন কমিশনকে ভোটের ব্যবস্থা করতে হতো। তাহলে এবার ভোট দিত মোট ৩৪৮ জন সংসদ সদস্য। মৃত্যুজনিত কারণে দুটি সংসদীয় আসন শূন্য রয়েছে।