ঢাকা, এপ্রিল ২৩, ২০১৮, ১০ বৈশাখ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৭:৫৩:৩৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

তপন সাহা ও তার পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ১১দিন পেড়িয়ে গেলেও মামলা নেয়নি সোনারগাঁ থানাপুলিশ : চরম আতংকে সংখ্যালঘু পরিবারটি। মৌলভীবাজারে আগর শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : আমু এশীয় অঞ্চলের ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীলতা : প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথের ২৫তম সিএইচওজিএম উদ্বোধন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগদান কচুয়ায় বল্লব দাসের বসতবাড়ি উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ : পরিদর্শনে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ঘোষণায় লন্ডন ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন হতাশ : ওবায়দুল কাদের পরিচ্ছন্নতায় নতুন রেকর্ড গড়েছে ঢাকা : এখন স্বীকৃতির অপেক্ষা বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস : স্পিকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা দেবে তাজিকিস্তান আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে : এরশাদ

বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস : স্পিকার

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ১ বৈশাখ ১৪২৫ | Saturday, April 14, 2018

ঢাকা : স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস।
এবারের পহেলা বৈশাখ’কে বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন নতুন উচ্চতায়। আমরা এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছে গেছি। দেশের সকল মানুষের জীবন-মান উন্নয়নে আমরা সকলে কাজ করে যাব-এই বৈশাখে এটাই হোক আমাদের শপথ।’
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে নববর্ষ উপলক্ষে আল্পনা আঁকা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বার্জার পেইন্টস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালি চৌধুরী, ইরেশ জাকের এবং শিল্পী মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। পরে দেশবরেণ্য শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।
বার্জার পেইন্ট ও ইউনিলিভারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘আল্পনায় বাংলাদেশ-১৪২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন,‘সামনের পথচলায় দীপ্ত প্রত্যয়ে নববর্ষে আমরা তুলির আঁচড়ে রংয়ে-রংয়ে রঙিন করে তুলবো সমগ্র বাংলাদেশ এবং আমাদের সকলের জীবন ভরে উঠবে রঙে রঙে। বাংলাদেশের সকলের কাছে সফলভাবে পথচলার এ বারতা পৌঁছে দিতে হবে।’
নববর্ষে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের স্ফুরণ দেখা যায় আল্পনায়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সামনে মানিকমিয়া এভিনিউ এ শিল্পীদের আঁকা আল্পনার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার যে অভিযাত্রা বিগত পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল- বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ শুরুর মাধ্যমে তা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো।
৩০০ জন শিল্পীর আঁকা দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এ আল্পনা এখন বাঙালী সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। আল্পনা আঁকাকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে শত-শত মানুষের কলকাকলিতে ভরে উঠে এ প্রাঙ্গণ।
স্পিকার বাঙালি সংস্কৃতিকে লালন করার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। তিনি বলেন,‘পহেলা বৈশাখে আমাদের শপথ হোক আমরা উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে যেতে চাই। আমরা অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যেতে চাই। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশটি হবে মানবের দেশ, দানবের নয়। বাংলাদেশ হবে একটি সুন্দর ফুলের বাগান, যে বাগানে সব ধরনের ফুল সমানভাবে শোভা পাবে।’