ঢাকা, নভেম্বর ২২, ২০১৮, ৮ অগ্রহায়ন ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৬:৪৮:০২

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক কাল ‘বাংলাদেশকে আর কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’ মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজদেশে ফেরত নিতে হবে : ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ’ হওয়ার সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীত্বকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি : প্রধানমন্ত্রী কোনো দলই নিল না আশরাফুলকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক রহমান

বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৫ কার্তিক ১৪২৫ | Friday, November 9, 2018

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ।
আগামীকাল শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী নূর হোসেনসহ সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন তাঁর বুকে ও পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ শ্লোগান লিখে ১৯৮৭ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫-দলীয় ঐক্যজোটের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, মিছিলটি যখন জিরো পয়েন্টে পৌঁছে, তখন স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে মিছিল লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। গুলিতে নূর হোসেনের বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহিদ হন। তাঁদের এ মহান আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলন-সংগ্রামে বাবুল, ফাত্তাহসহ আরো নাম না জানা অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। অবশেষে স্বৈরশাসকের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পায় জনগণ।