ঢাকা, মার্চ ২৪, ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ২৩:৩৪:৪৮

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের নকশা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দা নজরদারিতে নায়িকা শিমলা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল চলতি বছরেই : সচিব সঙ্গীত শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর দাফন সম্পন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশে পাকিস্তানের গণহত্যার বিষয়টি তুলে ধরবে জাতিসংঘ কাল ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ের বৈঠক ১ এপ্রিল কাল স্বাধীনতা পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী প্যারেড স্কোয়ারে সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন জাতিসংঘ উপদেষ্টা

বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৫ কার্তিক ১৪২৫ | Friday, November 9, 2018

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ।
আগামীকাল শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী নূর হোসেনসহ সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন তাঁর বুকে ও পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ শ্লোগান লিখে ১৯৮৭ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫-দলীয় ঐক্যজোটের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, মিছিলটি যখন জিরো পয়েন্টে পৌঁছে, তখন স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে মিছিল লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। গুলিতে নূর হোসেনের বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহিদ হন। তাঁদের এ মহান আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলন-সংগ্রামে বাবুল, ফাত্তাহসহ আরো নাম না জানা অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। অবশেষে স্বৈরশাসকের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পায় জনগণ।