ঢাকা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৩:৫৬:০০

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিন্দা প্রস্তাব নাকচ রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় বিধানসভার ভোটগ্রহণ:রাজস্থানে ৭২.৭০ শতাংশ এবং তেলেঙ্গানায় প্রায় ৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে ড্রোন হামলায় হেলমান্দের তালেবান কমান্ডার নিহত জ্বালানি কর বাড়ানো থেকে পিছু হটছে ফ্রান্স ওয়াশিংটনে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট বুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিল পেশ ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন পরিস্থিতি তুলে ধরলেন পুতিন বাণিজ্য যুদ্ধ বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ হাকিম মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা সহ্য করবে না সৌদি আরব

বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগে আগ্রহী আসাম

| ২৫ ফাল্গুন ১৪২৪ | Friday, March 9, 2018

আসাম, ৮ মার্চ, ২০১৮ (বাসস) : আসাম সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে বিশেষ করে বিমান যোগাযোগ স্থাপনে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যাতে করে বাংলাদেশ ও আসাম পরস্পরের উন্নয়ন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে।
আজ এখানে হোটেল ভিয়াভন্ত বাই তাজ-এ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আসামের গভর্নর জগদীশ মুখ ও মুখ্য মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল পৃথক পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে বিমান যোগাযোগের বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বর্তমানে সোলার সামিটে যোগ দিতে ৪দিনের ভারত সফরে অংশ হিসেবে এখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে রয়েছে।
আসামের গভর্নর ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় রাষ্ট্রপতি প্রতিবেশীদের বৃহত্তর স্বার্থে বাংলাদেশ ও আসামের মধ্যে অধিকতর যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের মতো পরীক্ষিত ও বন্ধু প্রতিবেশীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সব সময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত সরকার ও এর জনগণের আন্তরিক অবদান ও সমর্থনের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দুর্দিনে সর্বোচ্চ আতিথেয়তা ও সমর্থনের জন্য আমরা ভারতের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ।’
উল্লেখ্য সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ ১৯৭১ সালে ভারতে বিশেষ করে আসামে আশ্রয় নিয়েছিল।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়ে দুই আসামী নেতা বলেন, মো. আবদুল হামিদের মতো সত্যিকার দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযোদ্ধাকে তাদের মধ্যে পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত।
তারা পর পর দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে অভিনন্দন জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে।
দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে পর্যটন খাতে উন্নয়ন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরে রাষ্ট্রপতি রেডিসন ব্লু হোটেলে আসামের গভর্নরের দেয়া এক নৈশভোজে ভাষণ দেন। মুখ্যমন্ত্রী সনোয়াল বক্তৃতা করেন। রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন। সে সময় এখানে তিনি সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। এর আগে বিকেলে রাষ্ট্রপতি হামিদ কামাক্ষ্যা মন্দির পরিদর্শন করেন এবং মাচখোয়া ঘাটে নদী ভ্রমণ উপভোগ করেন।