ঢাকা, জানুয়ারী ১৯, ২০১৮, ৬ মাঘ ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০৯:২৯:৪৫

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ফাঁসিও দিতে পারেন সমস্যা নেই, হাইকোর্টে জামিন হবে সেই পূর্ণিমা এখন তারানা হালিমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা যশোর রোডের শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আপিলের অনুমতি পেল রাষ্ট্রপক্ষ আপিল শুনানির কার্যতালিকায় যুদ্ধাপরাধী আজহার-কায়সার-সুবহানের মামলা সুন্দরবন অঞ্চল নিরাপদ রাখতে আরো ৪টি র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আধুনিক মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রেডক্রিসেন্ট ফিল্ড হাসপাতালের প্রধানকে দেশত্যাগের নির্দেশ বনানীতে পানির ট্যাংকে নেমে দুজন দগ্ধ

বগুড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ জেএমবি নেতা গ্রেপ্তার!

আইন ও মানবাধিকার | ১৬ পৌষ ১৪২৪ | Saturday, December 30, 2017

 

গ্রেপ্তারের পর জেএমবি নেতা আবু সাঈদকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ছবি : ফোকাস বাংলা

বগুড়ায় জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির এক নেতাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। তার নাম মো. আবু সাঈদ ওরফে আ. করিম ওরফে তালহা শেখ ওরফে শ্যামল শেখ।

আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি।

এসপি জানান, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টেলিজেন্স শাখা যৌথ অভিযান চালায়। নন্দীগ্রাম উপজেলার ওমরপুর হাট এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল থামিয়ে জেএমবি নেতা মো. আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি ৯ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, আটটি গুলি, একটি ছুরি ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, আবু সাঈদ রাজশাহী থেকে বগুড়ায় আসছিলেন। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চরচাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার জানান, জেএমবি নেতা ২০০২ সালে জেএমবিতে যোগদান করে উত্তরাঞ্চলে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট তাঁর নেতৃত্বে নওগাঁ জেলায় চারটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ আইনের মামলায় নিম্ন আদালত ফাঁসির রায় দেন। পরে ২০০৯ সালে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেএমবির কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি এবং ২০১৪ সালের অক্টোবরে বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে কলকাতার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করে।