ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০০:২১:১৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার তালিকা হস্তান্তর বাংলা ভাষা সেমিনারে হাসানুল হক ইনু : শুদ্ধ উচ্চারণ ও বানানে সকল দপ্তরে বাংলা তরুণ প্রজন্মই জাতির ভবিষ্যৎ : স্পিকার রোহিঙ্গাদের তিন পর্যায়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার যশোরে বাংলাদশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের জেলা কমিটি গঠন:প্রধান অতিথী মানিক চন্দ্র সরকার। নরসিংদিতে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে ধর্মসভা :আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহন সেনবাগে মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ সুবিধাবঞ্চিতদের গোলাপ খাবার দিয়ে ভালোবাসা দিবস পালন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে আদালতের ওপর ইইউর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়েছি: ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীকে সেনাবাহিনীর এসডব্লিউও কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুটি প্রকল্প সম্পর্কে অবহিতকরণ

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ৫ মাঘ ১৪২৪ | Thursday, January 18, 2018

ঢাকা : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ পূর্ত সংস্থা (এসডব্লিউও) আজ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অন্য ভিভিআইপিরা বিদেশ ভ্রমণকালে যেসব উপটোকন ও স্মারক গ্রহণ করেন সেসব সংরক্ষণের জন্য নির্মাণাধীন ট্রেজারির নকশা ও নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে রাজধানীর বিজয় সরণিতে নভোথিয়েটার ও সামরিক জাদুঘর এলাকায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে তিনশ’ ফুট সড়কের উভয় পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এসডব্লিউও’র বাস্তবায়নাধীন খালের নকশাও প্রত্যক্ষ করেন।
উপস্থাপন প্রত্যক্ষ শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিক-নিদের্শনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আর্দ্রতা ও আগুনের ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে ট্রেজারির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলেন।
উপস্থাপনা শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম হেলাল সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কিছু নির্দেশনা ও পরামর্শ দেন।
সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক ট্রেজারির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ট্রেজারি এমনভাবে নির্মাণ করা উচিত যাতে উপটোকন ও স্মারকসমূহের ক্ষতি না হয় এবং এতে যাতে প্রয়োজনীয় অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম থাকে।
শেখ হাসিনা পারিবারিক আলোচনার সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর কাছে প্রথম ট্রেজারি সম্পর্কে শুনেছিলেন উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে তিনি একটি আইন কার্যকর করেছেন।
ট্রেজারি বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ সফরকালে তিনি এ ধরনের স্থাপনা দেখেছেন এবং তারা এসব স্থাপনা চমৎকারভাবে পরিচালনা করছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মূখ্যসচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম ও এলজিআরডি সচিব শহিদুল্লাহ খন্দকার এসময় উপস্থিত ছিলেন।