ঢাকা, জুলাই ২৩, ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৫:২০:৩৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আওয়ামী লীগের কৃতজ্ঞতা সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত যোগ্য, দক্ষ, কর্মক্ষম ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের ওপর আস্থাশীল হতে সেনাবাহিনীর প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইস্কনের উদ্যোগে না,গঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত। মঞ্চ পুড়লেও রাষ্ট্রপতি যাচ্ছেন বাকৃবিতে ভারতে গেলেন এরশাদ খালেদা জিয়ার জ্বর ও ব্যথা কোনোভাবেই কমছে না,প্রেস ব্রিফিংয়ে রিজভী যারা বলে ‘নৌকা ঠেকাও’ তাদের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ গণসংবর্ধনা দিল আওয়ামী লীগ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হলেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য

পরিকল্পিত পরিবার মানুষের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৫ | Tuesday, July 10, 2018

ঢাকা : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পরিকল্পিত পরিবার আজ মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা তথা পরিকল্পিত পরিবার বিশ্বব্যাপী আজ মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের দোরগোড়ায় পরিবার পরিকল্পনা সেবা পৌঁছে দিতে হবে যা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশে মা ও শিশুমৃত্যু হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাই এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার’ যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।’
তিনি ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সারাদেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫শ’টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে যার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। সুস্থ-সবল জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের এসব সেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ এগিয়ে আসবেন- এ প্রত্যাশা করি।’