ঢাকা, আগস্ট ১৭, ২০১৮, ২ ভাদ্র ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৫:০৯:১৪

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

সারা দেশে জাতীয় শোকদিবস পালিত নেত্রকোনায় শোক দিবসের সমাবেশে আ. লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শোক দিবসে মিথ্যা জন্মদিন উৎসব রুচি বিকৃতি ও অশ্লীলতা : তথ্যমন্ত্রী কোটা সংস্কার কমিটি সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত করেছে : মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার-বিশ্বব্যাংক ৫২০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে সতর্ক থাকতে বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পেল স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর সমমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা অনিন্দ্য গোপাল মিত্রের সাক্ষাৎ কোটালীপাড়ায় অ্যাডঃ রবীন্দ্র ঘোষ ও তার প্রতিনিধি দলের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।

পরিকল্পিত পরিবার মানুষের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৫ | Tuesday, July 10, 2018

ঢাকা : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পরিকল্পিত পরিবার আজ মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা তথা পরিকল্পিত পরিবার বিশ্বব্যাপী আজ মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবা গ্রহণের মাধ্যমে প্রত্যেক দম্পতি ও নাগরিকের স্বাধীনভাবে সন্তান সংখ্যা ও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের দোরগোড়ায় পরিবার পরিকল্পনা সেবা পৌঁছে দিতে হবে যা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশে মা ও শিশুমৃত্যু হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাই এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার’ যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।’
তিনি ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সারাদেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫শ’টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে যার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার কল্যাণ ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। সুস্থ-সবল জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের এসব সেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং মানসম্মত সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ এগিয়ে আসবেন- এ প্রত্যাশা করি।’