ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০৯:৫৫:৪৪

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে দীর্ঘ অবস্থানের কোন সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশ্যে কাল ঢাকা ত্যাগ সাংবাদিকতা পেশাকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান রাষ্ট্রপতির কাছে জার্মানি ও উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ বিএনপি’র সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রশ্নই আসে না : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গ্যাস ও যন্ত্র ব্যবহারে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে হবে : রাষ্ট্রপতি প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নবীনদের কর্মদক্ষতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে : নারায়ণ চন্দ্র চন্দ প্রতি উপজলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের উদ্যোগে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মতবিনিময় সভা।

ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ (ফাইল ছবি)

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারকদের কোন ধরনের অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার। তাই বিচারক হিসেবে বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সম্মানে বঙ্গভবনে তাঁর দেয়া এক নৈশভোজের আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে এসব কথা বলেন।

বিচার বিভাগকে মানুষের আস্থার প্রতীক আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি সুস্পষ্টভাবে বলেন, বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা তার প্রতি দয়া বা করুণার কোন বিষয় নয়। ‘ন্যায় বিচার সকল সৎ গুণাবলীর গৌরব মুকুট’- এই প্রবাদ স্মরণ করে আবদুল হামিদ বিচারকদের প্রতি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, উন্নয়নের জন্য সুশাসনের বিকল্প নেই। দুর্নীতি সুশাসনের অন্তরায়। সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করা না গেলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না। তিনি সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় শ্রেণী-পেশা ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও দাপ্তরিক কাজে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বিচার বিভাগের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকগণ, অন্য বিচারকগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ নৈশভোজে যোগ দেন।