ঢাকা, জুলাই ২১, ২০১৮, ৬ শ্রাবণ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১১:৫৬:৩৮

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়তে বিশ্ববাসীর সাথে বাংলাদেশ সহযাত্রী হবে : স্পিকার সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক খসড়া আইন অনুমোদিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে তার সংস্থা সবরকম সহায়তা করবে : আইওএম মহাপরিচালক দারিদ্র্য দূরীকরণ ও নারীর ক্ষমতায়নে পরিবার পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার পরিকল্পিত পরিবার মানুষের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারিদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫শ’ একর জমি বরাদ্দের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ২৯২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬ প্রকল্পের অনুমোদন ‘সিভিল সার্ভিস’ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি করে : স্পিকার দেশ-বিদেশের কোটা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদন সংগ্রহ করবে কমিটি

ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ (ফাইল ছবি)

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারকদের কোন ধরনের অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার। তাই বিচারক হিসেবে বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সম্মানে বঙ্গভবনে তাঁর দেয়া এক নৈশভোজের আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে এসব কথা বলেন।

বিচার বিভাগকে মানুষের আস্থার প্রতীক আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি সুস্পষ্টভাবে বলেন, বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা তার প্রতি দয়া বা করুণার কোন বিষয় নয়। ‘ন্যায় বিচার সকল সৎ গুণাবলীর গৌরব মুকুট’- এই প্রবাদ স্মরণ করে আবদুল হামিদ বিচারকদের প্রতি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, উন্নয়নের জন্য সুশাসনের বিকল্প নেই। দুর্নীতি সুশাসনের অন্তরায়। সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করা না গেলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না। তিনি সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় শ্রেণী-পেশা ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও দাপ্তরিক কাজে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বিচার বিভাগের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকগণ, অন্য বিচারকগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ নৈশভোজে যোগ দেন।