ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮, ৭ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ১৫:৩২:০৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

তরুণ প্রজন্মই জাতির ভবিষ্যৎ : স্পিকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির পরিবেশ বান্ধব শস্য উৎপাদন পদ্ধতি উদ্ভাবনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করতে হবে : রাষ্ট্রপতি জেলখানায় খালেদা জিয়াকে অসম্মান করা হচ্ছে না: ওবায়দুল কাদের টি-টোয়েন্টিতেও নেই সাকিব! ইতালির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ খালেদার সাজা দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের জন্য সতর্ক বার্তা : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে :শিল্পমন্ত্রী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবদুল হামিদ ফের রাষ্ট্রপতি

ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ (ফাইল ছবি)

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারকদের কোন ধরনের অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার। তাই বিচারক হিসেবে বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সম্মানে বঙ্গভবনে তাঁর দেয়া এক নৈশভোজের আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে এসব কথা বলেন।

বিচার বিভাগকে মানুষের আস্থার প্রতীক আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি সুস্পষ্টভাবে বলেন, বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা তার প্রতি দয়া বা করুণার কোন বিষয় নয়। ‘ন্যায় বিচার সকল সৎ গুণাবলীর গৌরব মুকুট’- এই প্রবাদ স্মরণ করে আবদুল হামিদ বিচারকদের প্রতি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, উন্নয়নের জন্য সুশাসনের বিকল্প নেই। দুর্নীতি সুশাসনের অন্তরায়। সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করা না গেলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না। তিনি সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় শ্রেণী-পেশা ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও দাপ্তরিক কাজে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বিচার বিভাগের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকগণ, অন্য বিচারকগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ নৈশভোজে যোগ দেন।