ঢাকা, এপ্রিল ১৯, ২০১৮, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৯:২৬:৫৫

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস : স্পিকার প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে যাত্রা করবেন সোনার মানুষ হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলা নববর্ষ বরণ কোন অশুভ শক্তি যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত হত্যার উদ্দেশ্যেই বাসভবনে হামলা, ঢাবি ভিসির দাবি কচুয়ায় বল্লব দাসের বসতবাড়ি উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল :হিন্দুধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ঘটনাস্থল পরিদর্শন। রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন : রাষ্ট্রপতি জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের কল্যাণে সবাইকে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন

ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার : রাষ্ট্রপতি

প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ (ফাইল ছবি)

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিচারকদের কোন ধরনের অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার। তাই বিচারক হিসেবে বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সম্মানে বঙ্গভবনে তাঁর দেয়া এক নৈশভোজের আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে এসব কথা বলেন।

বিচার বিভাগকে মানুষের আস্থার প্রতীক আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি সুস্পষ্টভাবে বলেন, বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা তার প্রতি দয়া বা করুণার কোন বিষয় নয়। ‘ন্যায় বিচার সকল সৎ গুণাবলীর গৌরব মুকুট’- এই প্রবাদ স্মরণ করে আবদুল হামিদ বিচারকদের প্রতি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, উন্নয়নের জন্য সুশাসনের বিকল্প নেই। দুর্নীতি সুশাসনের অন্তরায়। সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করা না গেলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না। তিনি সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় শ্রেণী-পেশা ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও দাপ্তরিক কাজে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বিচার বিভাগের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকগণ, অন্য বিচারকগণ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ নৈশভোজে যোগ দেন।