ঢাকা, জানুয়ারী ১৯, ২০১৮, ৬ মাঘ ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০৯:২৯:১৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ফাঁসিও দিতে পারেন সমস্যা নেই, হাইকোর্টে জামিন হবে সেই পূর্ণিমা এখন তারানা হালিমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা যশোর রোডের শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আপিলের অনুমতি পেল রাষ্ট্রপক্ষ আপিল শুনানির কার্যতালিকায় যুদ্ধাপরাধী আজহার-কায়সার-সুবহানের মামলা সুন্দরবন অঞ্চল নিরাপদ রাখতে আরো ৪টি র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আধুনিক মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রেডক্রিসেন্ট ফিল্ড হাসপাতালের প্রধানকে দেশত্যাগের নির্দেশ বনানীতে পানির ট্যাংকে নেমে দুজন দগ্ধ

নেত্রকোনায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

আইন ও মানবাধিকার | ১৮ পৌষ ১৪২৪ | Monday, January 1, 2018

 

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে আজ সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ ১৯টি মামলা আছে।

নিহত ব্যক্তির নাম লুৎফুর রহমান বিপুল (৪০)। মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিপুলের শরীরে গুলি লাগে। বিপুল মোহনগঞ্জ উপজেরার গাগলাজুড় ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গতকাল রোববার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাগলাজুর বাজার থেকে বিপুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ আরো জানায়, গভীর রাতে বিপুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধারে বিপুলকে নিয়ে মোহনগঞ্জের একটি হাওর এলাকায় যাওয়া হয়। সেখানে বিপুল দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিপুলের লোকজন পুলিশের ওপর গুলি চালায়। এ সময় পুলিশ পাল্টা গুলি করে।পরে গুলিবিদ্ধ বিপুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানা্য়, বিপুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি ডাকাতি, একটি দস্যুতা, দুটি  চাঁদাবাজি, পুলিশের ওপর হামলায় দুটি, একটি চুরি, সিলেটের স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি,ব্যাংক ডাকাতি,লঞ্চ ডাকাতিসহ ১৯টি মামলা আছে । দুটি মামলায় বিপুলের সাজা হয়েছে বলেও জানায় মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনসারী জিন্নাত আলী বলেন, বিপুল মোহনগঞ্জ থানায় ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। ওই বন্দুকযুদ্ধে উপপরিদর্শক (এসআই) আফজাল হোসেন, এসআই জহিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল তোফাজ্জল আহত হয়েছেন।

ঘটনার পর একটি শাটারগান, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ওসি আনসারী জিন্নাত।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, বিপুলের বাবার হত্যা মামলায় আপোস না করায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

বিপুলের স্ত্রী রেশমা বেগম এবং বোনের মেয়ে আসমা বেগম জানান, ‘বিপুলকে বেশ কিছু মানুষ মিলে মারধর করার একপর্যায়ে পানিতে নামিয়ে দেয়। পরে তাঁকে নিয়ে কোথাও রাখে। থানায় এমনকি আদালতে খোঁজ করেও তাঁর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। স্বজনদের বলাও হয়নি তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে।’