ঢাকা, জানুয়ারী ১৮, ২০১৯, ৫ মাঘ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৫:৪২:৪৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

পূবালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় তিন ব্যবসায়ীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ এমপিদের শপথ নেওয়ার বৈধতা নিয়ে আদেশ কাল ঢাকা উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন হতে আইনগত বাধা নেই চালক সংকট কাটাতে লাইসেন্স প্রাপ্তির শর্ত শিথিল করল বিআরটিএ হিযবুত তাহরীরের ৬ জনের বিরুদ্ধে রায় ৩০ জানুয়ারি জাবালে নূরের মালিকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ২২ জানুয়ারি সরকারি কৌঁসুলিদের পদত্যাগের আহ্বান আইনমন্ত্রীর তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার : আইনমন্ত্রী একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির দায়ে ব্যবসায়ীর ৭ বছর সাজা

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ঐক্যফ্রন্ট

আইন ও মানবাধিকার, প্রধান সংবাদ | ২৫ কার্তিক ১৪২৫ | Friday, November 9, 2018

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ঐক্যফ্রন্ট

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কিভাবে জনসভা করলো সেটাই একটা বিরাট প্রশ্ন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এটা তারা করতে পারে না। এই জনসভার মাধ্যমে তারা নির্বাচনী আচরণবিধি বা আইন সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে।

শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী  সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ’তে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এ মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

তিনি বলেন,  প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাদের যে শর্তে অনুমোদন দিয়েছে তা তারা মানেনি। তারা তো তাদের বক্তব্যে আন্দোলনের কথা বলেছে, নির্বাচনবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। তাদের ৭ দফা দাবি না মানলে তারা আন্দোলনে যাবে। তফসিল ঘোষণার পর এই অবস্থায় এ রকম জনসভা করে, এরকম বক্তব্য কি তারা দিতে পারে? প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার বক্তব্যে নির্বাচনের আচরণবিধি সম্পর্কে যে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন, এটা কি তার লঙ্ঘন নয়? এ প্রশ্নটাই সিইসি’র কাছে রেখে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, তারা আন্দোলন করতে পারবে না। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকা, চট্টগ্রাম সব জায়গায় দেখা গেছে তারা নির্বাচনমুখী ও সমাবেশে আন্দোলনবিমুখ জনগণ। তাদের আন্দোলনের ভাঙা হাত জমছে না। এটাই সর্বশেষ রাজশাহীর সমাবেশ থেকে প্রমাণ হলো।

৭ দফা দাবি মেনে না নিলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, অপেক্ষা করুন ৩০ তারিখ পর্যন্ত। তলে তলে তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে আর সামনে দিয়ে ফাঁকা আওয়াজ তুলছে। যদি কিছু আদায় করে নিতে পারে এই আশায়।

মিলাদ মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন-আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আহমদ হোসেন, এনামুল হক, হাবিবুর রহমান সিরাজ, শাহ আলম মুরাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসারত রয়েছেন।