ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০০:১৪:২৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার তালিকা হস্তান্তর বাংলা ভাষা সেমিনারে হাসানুল হক ইনু : শুদ্ধ উচ্চারণ ও বানানে সকল দপ্তরে বাংলা তরুণ প্রজন্মই জাতির ভবিষ্যৎ : স্পিকার রোহিঙ্গাদের তিন পর্যায়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার যশোরে বাংলাদশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের জেলা কমিটি গঠন:প্রধান অতিথী মানিক চন্দ্র সরকার। নরসিংদিতে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে ধর্মসভা :আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহন সেনবাগে মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ সুবিধাবঞ্চিতদের গোলাপ খাবার দিয়ে ভালোবাসা দিবস পালন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে আদালতের ওপর ইইউর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়েছি: ফখরুল

দেশের থানাগুলোকে পর্যায়ক্রমে নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে : আইজিপি

দেশের খবর | ৩০ কার্তিক ১৪২৪ | Tuesday, November 14, 2017

ঢাকা : পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, দেশের থানাগুলোকে পর্যায়ক্রমে নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে।
তিনি বলেন,নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিক। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা অনেকাংশে বেড়েছে বলেও আইজিপি উল্লেখ করেন।
আইজিপি সোমবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘জেন্ডার ভিত্তিক ভায়োলেন্স থেকে শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় টেকসই উদ্যোগ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোও এবং বাংলাদেশে ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধি লরি কাটো। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশনস্) মো: মোখলেসুর রহমান।
আইজিপি বলেন, পুলিশ বা অন্য কোন একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দেশী-বিদেশী এনজিও এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মিয়া সেপ্পোও জেন্ডার সহিংসতা নির্মূলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মধ্যে দিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পুলিশী কর্মকান্ডের সাফল্য কামনা করেন।
লরি কাটো বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা বিশেষ করে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ অর্জনে সক্ষম হবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
আগামী ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি চলবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানাসহ দেশের ৪টি জেলার ৫১টি থানায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় ১২টি উইমেন হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। বগুড়া জেলায় আরো ৩টি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলাসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার নির্যাতিত নারী ও শিশুকে আইনি সহায়তা ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে।
অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।