ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০০:৩২:৩৫

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার তালিকা হস্তান্তর বাংলা ভাষা সেমিনারে হাসানুল হক ইনু : শুদ্ধ উচ্চারণ ও বানানে সকল দপ্তরে বাংলা তরুণ প্রজন্মই জাতির ভবিষ্যৎ : স্পিকার রোহিঙ্গাদের তিন পর্যায়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার যশোরে বাংলাদশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের জেলা কমিটি গঠন:প্রধান অতিথী মানিক চন্দ্র সরকার। নরসিংদিতে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে ধর্মসভা :আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহন সেনবাগে মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ সুবিধাবঞ্চিতদের গোলাপ খাবার দিয়ে ভালোবাসা দিবস পালন নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে আদালতের ওপর ইইউর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়েছি: ফখরুল

দুদকের শুভেচ্ছা দূত হলেন সাকিব আল হাসান

দেশের খবর | ৩০ মাঘ ১৪২৪ | Monday, February 12, 2018

ঢাকা : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছা দূত হলেন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। জনগণকে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকার প্রচারাভিযানে তার ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দিয়েছে দুদক।
আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ক্রিকেটের তিন ফর্মেই বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব এবং দুদকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। যদিও পাঁচ মাস আগেই দুদক তাকে শুভেচ্ছা দূত নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের পক্ষে মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. জাফর ইকবাল এবং সাকিব নিজেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে সাকিব বলেন, ‘আমি দুদকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। এতে আমার প্রচেষ্টায় যদি একজন মানুষও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে, তবে আমি নিজেকে সফল মনে করব।’ জাতিকে দুর্নীতি মুক্ত রাখার ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দুদকের সঙ্গে আমি আমার যাত্রা শুরু করলাম।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সাকিব আল হাসান তার বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হয়েছেন, যা তাকে দেশের গর্বিত সন্তান এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।’ তরুণ প্রজন্মকে সকল শক্তির উৎস হিসেবে বর্ণনা করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘সাকিবের মতো যুব সমাজ যদি ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে কার এত সাহস আছে যে দুর্নীতি করে?’
দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বশক্তি ব্যবহার করার জন্য তার সহযোগিদের পরামর্শ দিয়েছে দুদক।