ঢাকা, মে ২৪, ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০২:৫১:২৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

গণআন্দোলনের মুখে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে সরকার:খন্দকার মোশাররফ হোসেন ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদে ফেলার সুযোগ থাকবে না’ এদেশের সংখ্যালঘু মানুষেরও একটা ভোট দেয়ার সমান অধিকার রয়েছে : পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী ‘৩৩৩’ নম্বরে ফোন করে পাওয়া যাবে ইসলামিক সেবা প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকারমূলক কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে স্বাবলম্বী হচ্ছে গ্রামের হতদরিদ্র লাখো পরিবার কেসিসি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে : ইডব্লিউজি জনগণের সেবা প্রাপ্তী নিশ্চিত করুন : পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সমর্থিতদের নিরঙ্কুশ জয় প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের ওপর ডাটাবেজ তৈরি করতে সায়মা ওয়াজেদের আহবান

দুদকের শুভেচ্ছা দূত হলেন সাকিব আল হাসান

দেশের খবর | ৩০ মাঘ ১৪২৪ | Monday, February 12, 2018

ঢাকা : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছা দূত হলেন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। জনগণকে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকার প্রচারাভিযানে তার ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দিয়েছে দুদক।
আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ক্রিকেটের তিন ফর্মেই বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব এবং দুদকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। যদিও পাঁচ মাস আগেই দুদক তাকে শুভেচ্ছা দূত নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের পক্ষে মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. জাফর ইকবাল এবং সাকিব নিজেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে সাকিব বলেন, ‘আমি দুদকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। এতে আমার প্রচেষ্টায় যদি একজন মানুষও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে, তবে আমি নিজেকে সফল মনে করব।’ জাতিকে দুর্নীতি মুক্ত রাখার ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে দুদকের সঙ্গে আমি আমার যাত্রা শুরু করলাম।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সাকিব আল হাসান তার বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হয়েছেন, যা তাকে দেশের গর্বিত সন্তান এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।’ তরুণ প্রজন্মকে সকল শক্তির উৎস হিসেবে বর্ণনা করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘সাকিবের মতো যুব সমাজ যদি ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে কার এত সাহস আছে যে দুর্নীতি করে?’
দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বশক্তি ব্যবহার করার জন্য তার সহযোগিদের পরামর্শ দিয়েছে দুদক।