ঢাকা, অক্টোবর ২২, ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১২:৩৯:৫৪

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা সংশোধনী অনুমোদন করেছে ইসি শিশু জয়নবের ধর্ষক ঝুলল ফাঁসিতে নারী সাংবাদিক বলেই কি অবলীলায় চরিত্রহীন বলে দেয়া? শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্ডপগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার নতুন আইনকে ঘিরে কেউ অপব্যবহার করলে কঠোর শাস্তি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক চোরাচালানকারীর মৃত্যুদন্ডসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন তুরাগ নদীতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১২ তুরাগ নদীতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১২ গাঁজাসহ একই পরিবারের ছয়জন গ্রেপ্তার এস কে সিনহার অ্যাকাউন্টে টাকা, অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

ডেসটিনির এমডি-চেয়ারম্যানের জামিনাদেশ সংশোধন আবেদন আাপিলে খারিজ

আইন ও মানবাধিকার | ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Friday, December 1, 2017

ঢাকা : ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিনের আদেশ সংশোধন চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট জামিন দেয়ার পর আপিল বিভাগ সেই জামিন আদেশ স্থগিত করে। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ শর্ত সাপেক্ষে তাদের জামিন দেয়। সেই শর্ত সংশোধন চেয়ে তারা আবেদন করেছিলেন। সে আবেদনও আজ খারিজ করা হয়েছে।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দু’টি মামলা করে দুদক। ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৩ হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দু’টি দায়ের করা হয়।
গত বছরের ২০ জুলাই শর্তসাপেক্ষে রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসাইনকে জামিন দেয় হাইকোর্ট। পরে দুদকের আবেদনে তা স্থগিত করে দেয় আপিল বিভাগ। এ আবেদনের শুনানির এক পর্যায়ে আত্মসাৎ করা টাকা জমা দেয়ার কথা বলেন আপিল বিভাগ।
সে অনুসারে গত বছরের ১৩ নভেম্বর ডেসনিটির পক্ষ থেকে গাছ বিক্রি করে টাকা দেয়ার কথা বলা হয়। ওইদিন হলফনামা দিয়ে আদালতকে জানানো হয় যে, তাদের কাছে ৩৫ লাখ গাছ আছে। প্রতিটি গাছ আট হাজার টাকায় বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে পারবেন তারা।
ডেসটিনি ট্রি-প্ল্যান্টেশনের সিইও ড. শামসুল হক ভূঁইয়া তত্ত্বাবধানে সব কাজ সম্পন্ন হবে। যদি গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে না পারেন, তাহলে নগদ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দেবেন তারা। এর অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানকে পাঠাতে হবে। এরপর যারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, যাচাই করে তাদের কাছে টাকা হস্তান্তরের পর জামিনে মুক্তি পাবেন দুই কর্মকর্তা। শর্ত পূরণ না করে কয়েকমাস পরে তারা এ আদেশের সংশোধন চেয়ে আবেদন করেন।