ঢাকা, মে ২৪, ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০২:৪৯:০৮

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

গণআন্দোলনের মুখে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে সরকার:খন্দকার মোশাররফ হোসেন ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদে ফেলার সুযোগ থাকবে না’ এদেশের সংখ্যালঘু মানুষেরও একটা ভোট দেয়ার সমান অধিকার রয়েছে : পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী ‘৩৩৩’ নম্বরে ফোন করে পাওয়া যাবে ইসলামিক সেবা প্রধানমন্ত্রীর অগ্রধিকারমূলক কর্মসূচি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে স্বাবলম্বী হচ্ছে গ্রামের হতদরিদ্র লাখো পরিবার কেসিসি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে : ইডব্লিউজি জনগণের সেবা প্রাপ্তী নিশ্চিত করুন : পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বার কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সমর্থিতদের নিরঙ্কুশ জয় প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের ওপর ডাটাবেজ তৈরি করতে সায়মা ওয়াজেদের আহবান

জয় বাংলা কেন জাতীয় স্লোগান নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

ঢাকা: জয় বাংলাকে কেন ‘জাতীয় স্লোগান’ ঘোষণা করার নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সোমবার রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।
বিষয়টি নিয়ে আনা রিট পিটিশনার সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সেক্রেটারী ও সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ড. বশির আহমেদ বাসস’কে আজ এ কথা জানান। তিনি বলেন, আদালতে তিনি নিজেই এ বিষয়ে শুনানি করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব এবং শিক্ষা সচিবকে রেসপনডেন্ট (প্রতিপক্ষ) করা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদেরকে এ রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট। আগামী রোববার বিষয়টি আবারো আদালতে শুনানির জন্য থাকবে বলে জানান ড. বশির। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
ড. বশির আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েই সমস্ত জাতি এক হয়েছিল। এই স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়েই বীর বাঙ্গালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের এদেশীয় দোসড়দের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করে।
ড. বশির বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আমাদের কোনো জাতীয় মোটো কিংবা স্লোগান নেই। সে কারণে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে নির্ধারণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার আর্জি জানিয়ে এ রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই এ রিটের নিস্পত্তি হবে এবং এবারের বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে দেশবাসী উৎযাপন করবে।