ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৪:১২:৩৬

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

বাংলাদশ মাইনরিটি ওয়াচের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস-২০১৮ পালিত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ বিএনপি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে : আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা অবলম্বন করছেন : ইনু রংপুর ৩ এ এরশাদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ : জাপাকে ছাড় দিচ্ছেন না ৯ প্রার্থী ভিকারুননিসা স্কুলের নতুন অধ্যক্ষ হাসিনা বেগম বাদ পড়লেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও ড. শামসুল মিথ্যা তথ্যে রাজস্ব ফাঁকি সম্পদশালীদের ব্যাংকে কোটিপতি ৭০০০০ আয়করে ১২০০০

জয় বাংলা কেন জাতীয় স্লোগান নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৪ | Tuesday, December 5, 2017

ঢাকা: জয় বাংলাকে কেন ‘জাতীয় স্লোগান’ ঘোষণা করার নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সোমবার রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।
বিষয়টি নিয়ে আনা রিট পিটিশনার সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সেক্রেটারী ও সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ড. বশির আহমেদ বাসস’কে আজ এ কথা জানান। তিনি বলেন, আদালতে তিনি নিজেই এ বিষয়ে শুনানি করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব এবং শিক্ষা সচিবকে রেসপনডেন্ট (প্রতিপক্ষ) করা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদেরকে এ রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট। আগামী রোববার বিষয়টি আবারো আদালতে শুনানির জন্য থাকবে বলে জানান ড. বশির। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
ড. বশির আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েই সমস্ত জাতি এক হয়েছিল। এই স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়েই বীর বাঙ্গালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের এদেশীয় দোসড়দের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করে।
ড. বশির বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আমাদের কোনো জাতীয় মোটো কিংবা স্লোগান নেই। সে কারণে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে নির্ধারণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার আর্জি জানিয়ে এ রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই এ রিটের নিস্পত্তি হবে এবং এবারের বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে দেশবাসী উৎযাপন করবে।