ঢাকা, জানুয়ারী ১৯, ২০১৮, ৬ মাঘ ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০৯:৩৪:৩৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ফাঁসিও দিতে পারেন সমস্যা নেই, হাইকোর্টে জামিন হবে সেই পূর্ণিমা এখন তারানা হালিমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা যশোর রোডের শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত ডিএনসিসির উপ-নির্বাচন স্থগিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আপিলের অনুমতি পেল রাষ্ট্রপক্ষ আপিল শুনানির কার্যতালিকায় যুদ্ধাপরাধী আজহার-কায়সার-সুবহানের মামলা সুন্দরবন অঞ্চল নিরাপদ রাখতে আরো ৪টি র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আধুনিক মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার রেডক্রিসেন্ট ফিল্ড হাসপাতালের প্রধানকে দেশত্যাগের নির্দেশ বনানীতে পানির ট্যাংকে নেমে দুজন দগ্ধ

জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি জ্যেষ্ঠ দুই আইনজীবীকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

আইন ও মানবাধিকার | ২১ পৌষ ১৪২৪ | Thursday, January 4, 2018

ড. কামাল হোসেন ও এম আমীর-উল ইসলামড. কামাল হোসেন ও এম আমীর-উল ইসলামঅধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগ ও বদলির বিধিমালা সম্পর্কে দেশের ছয়জন বিশিষ্ট আইনজীবীর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন ও এম আমীর-উল ইসলামকে মাসদার হোসেন মামলার পরিচালনা (ওকালতনামা) থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গতকাল বুধবার অধস্তন আদালতের বিচারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সুপ্রিম কোর্ট দিবস উপলক্ষে গত সোমবার বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, এম আমীর-উল ইসলাম, মইনুল হোসেন, এ এফ হাসান আরিফ ও ফিদা এম কামাল গণমাধ্যমে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, দীর্ঘ কালক্ষেপণের পর অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগ ও বদলির বিধিমালা এমন একটি সময়ে করা হয়েছে, যখন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির পদটি শূন্য। সুপ্রিম কোর্টের দুই বিভাগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় অর্থবহ পরামর্শ ছাড়া এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অধস্তন আদালতকে ১৯৯৯ সালের আগের যুগে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন বিবৃতিতে বলেছে, ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুসরণ করে করা বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধিমালা অধস্তন আদালতের বিচারকদের কাছে সংবিধানসম্মত ছিল না। ড. কামাল হোসেন, মইনুল হোসেন ও এ এফ হাসান আরিফ বিভিন্ন সময়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী-উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁরাও অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য পৃথক শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নেননি। অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, ছয় আইনজীবী মাসদার হোসেন মামলাকে রাজনীতিকীকরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ প্রণীত বিধিমালা গ্রহণ করেছেন এবং এ নিয়ে কোনো অধস্তন আদালতের বিচারকদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গতকাল মাসদার হোসেন মামলার শুনানিকালে আইনজীবী এম আমীর-উল ইসলাম অধস্তন আদালতের বিচারকদের স্বার্থবিরোধী বক্তব্য আপিল বিভাগে উপস্থাপন করায় এবং তাঁর বক্তব্য আদালতে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় অ্যাসোসিয়েশন তাঁর নেতিবাচক বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য গেজেট আকারে প্রকাশিত বিধিমালার বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য বা বিবৃতি প্রদান না করার জন্য ছয় আইনজীবীসহ সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।