ঢাকা, আগস্ট ১৬, ২০১৮, ১ ভাদ্র ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৬:০০:৪৩

জাবালে নূর বাসের মালিকের সাত দিনের রিমান্ড

আইন ও মানবাধিকার, দেশের খবর | ১৮ শ্রাবণ ১৪২৫ | Thursday, August 2, 2018

 

রাজধানীতে দুই কলেজ শিক্ষার্থীর নিহত হওয়ার ঘটনায় জাবালে নূর পরিবহনের বাস মালিক শাহাদাত হোসেনকে (৬০) সাত দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন এ আদেশ দেন।

ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে জানান, আজ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম বাস মালিক শাহাদাত হোসেনকে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

গতকাল রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে জাবালে নূর পরিবহনের মালিক শাহাদাত হোসেনকে আটক করে র‍্যাব।

এদিকে, গতকাল এ মামলায় ‘মূল হোতা’ জাবালে নূর পরিবহনের চালক মাসুম বিল্লাহকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

অন্যদিকে, ৬ আগস্ট জাবালে নূর পরিবহনের বাসচালক জোবায়ের ও সোহাগ আলী এবং চালকের সহকারী এনায়েত হোসেন ও রিপন হোসেনের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তারা বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছে।

গতকাল সকালে জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ বাতিল করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাস প্রতিযোগিতা করে মিরপুর থেকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে আসছিল। এ সময় ফ্লাইওভারের শেষ দিকে, রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল শিক্ষার্থী। এর মধ্যে একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন।

নিহতরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

ওই ঘটনার পর থেকেই বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। রোববার থেকে টানা বিক্ষোভে রাজধানী ঢাকা প্রায় অচল হয়ে গেছে।

এ ঘটনায় নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেছেন। মামলা নম্বর ৩৩।