ঢাকা, জানুয়ারী ২০, ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০৫:২৪:৪৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় প্রশংসিত বাংলাদেশ হুইলচেয়ারে চেপে ব্রেক্সিট ভোট দিলেন গর্ভবতী টিউলিপ বিশ্বব্যাংকের প্রার্থী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করবে ইভাঙ্কা ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ায় চলছে প্রচন্ড তাপদাহ, পৃথিবীর উষ্ণতম স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির বিভিন্ন শহর সেই নারী উবারচালকের স্কুটি উদ্ধার, প্রতারক গ্রেফতার রহস্য খোলাসা করলেন সৌদি থেকে পালিয়ে আসা সেই তরুণী সমাজের মূল স্রোতে মেশার সুযোগ, কুম্ভমেলায় ‘কিন্নর আখড়া’ পাকিস্তানকে ৮০ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দেবে সৌদি শিশু সন্তানের সামনে ঝগড়া করবেন না: পোপ ফ্রান্সিস চীনে খনিতে দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু

জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিন্দা প্রস্তাব নাকচ

| ২৪ অগ্রহায়ন ১৪২৫ | Saturday, December 8, 2018

জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিন্দা প্রস্তাব নাকচজাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের ভূখণ্ডে রকেট হামলার অভিযোগে হামাসের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার প্রস্তাবটি তুলেছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। কিন্তু প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় সেটি বাতিল হয়ে যায়।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এ ধরনের প্রস্তাব পাস হতে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন থাকতে হয়। কিন্তু হ্যালি যে নিন্দা প্রস্তাবটি তুলেছিলেন, এর পক্ষে ভোট পড়ে ৮৭টি। ৫৮টি দেশ ওই খসড়া প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। আর ভোটদানে বিরত থাকে ৩২টি দেশ।

এ মাসের শেষ দিকে পদত্যাগ করবেন হ্যালি। বরাবরই তিনি অভিযোগ করে আসছেন, জাতিসংঘের কার্যক্রম ইসরায়েলবিরোধী। এ ছাড়া হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় হ্যালি সব সময় ইসরায়েলের পক্ষে সাফাই গেয়ে থাকেন।

বৃহস্পতিবারের ভোটাভুটির আগে নিকি হ্যালি জাতিসংঘের অধিবেশনে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই নিন্দা প্রস্তাব ঐতিহাসিক ভুল সংশোধনের সুযোগ করে দিতে পারে। প্রস্তাবটি জাতিসংঘকে সত্যের আরেকটা পিঠ দেখারও সুযোগ করে দেবে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার যে প্রচেষ্টা চলছে, তাতে এই প্রস্তাব একটা ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে।’

হামাসের বিরুদ্ধে এবারই প্রথম এ ধরনের কোনো নিন্দা প্রস্তাব তুলল যুক্তরাষ্ট্র। ভোটের পর জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানোন ভোটপ্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘দুই-তৃতীয়াংশ রাষ্ট্রের সমর্থনের বাধ্যবাধকতার কোনো মানে হয় না। অর্ধেকের বেশি দেশের সমর্থন থাকলেই যেকোনো প্রস্তাব পাস হওয়া উচিত।’

উল্লেখ্য, দুই-তৃতীয়াংশ রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতার নিয়মটি চালু হয় আরব দেশের পক্ষে কুয়েতের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে। ওই প্রস্তাবের পক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৮ রাষ্ট্রের সবাই ভোট দিয়েছিল।

বৃহস্পতিবারের ভোটেও অবশ্য ইইউয়ের সব সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা প্রস্তাবের পক্ষেই ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইইউ রাষ্ট্রগুলোও হামাসকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

নিকি হ্যালি গত বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরই জাতিসংঘের এক অধিবেশনে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, যেসব দেশ ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির বিরোধিতা করবে, তাদের বিষয়টি ‘আলাদাভাবে বিবেচনা’ করা হবে। বৃহস্পতিবারের ভোটাভুটির আগেও তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন দেশের দূতকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এই প্রস্তাবের পরিণাম যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।’

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক কূটনৈতিক বলেন, ‘হ্যালি আসলে একটা অর্জন নিয়ে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন।’ সূত্র : এএফপি।