ঢাকা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১২:৫১:৩৭

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিন্দা প্রস্তাব নাকচ রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় বিধানসভার ভোটগ্রহণ:রাজস্থানে ৭২.৭০ শতাংশ এবং তেলেঙ্গানায় প্রায় ৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে ড্রোন হামলায় হেলমান্দের তালেবান কমান্ডার নিহত জ্বালানি কর বাড়ানো থেকে পিছু হটছে ফ্রান্স ওয়াশিংটনে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট বুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেসে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিল পেশ ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন পরিস্থিতি তুলে ধরলেন পুতিন বাণিজ্য যুদ্ধ বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ হাকিম মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা সহ্য করবে না সৌদি আরব

চলে গেলেন আধুনিক সৃষ্টিতত্ত্বের উজ্জ্বল নক্ষত্র স্টিফেন হকিং

| ৩০ ফাল্গুন ১৪২৪ | Wednesday, March 14, 2018

স্টিফেন হকিং

ভাবনা যার মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্যে নিবিষ্ট ছিল, সেই স্টিফেন হকিং পৃথিবী ছাড়লেন। চিরতরে নিভে গেলেন আধুনিক সৃষ্টিতত্ত্বের উজ্জ্বল এই নক্ষত্র। শারীরিক নিশ্চলতাকে অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর আধুনিক প্রযুক্তির প্রেরণায় জয় করেছিলেন হকিং। বুধবার সকালে ৭৬ বছর বয়সে চিরতরে নীরব হলেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো পারিবারিক সূত্রে ব্রিটিশ এই পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীর জীবনাবসানের খবর দিয়েছে।ব্রিটিশ এই বিজ্ঞানী কৃষ্ণ গহ্বর এবং আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নিয়ে তার কাজের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বিরল ধারার মোটর নিউরনের সঙ্গে লড়তে থাকা স্টিফেন হকিং হয়ে উঠেছিলেন তার কালের সবচেয়ে পরিচিত আর সম্মানিত বিজ্ঞানী। রসবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে হয়ে উঠেছিলেন বিজ্ঞানের জনপ্রিয় শুভেচ্ছাদূত। নিজের কাজের প্রতি সাধারণ মানুষ যেন সংলগ্ন বোধ করতে পারেন তার প্রতি সবসময় নজর রেখেছেন তিনি। হকিংয়ের সন্তান লুসি, রবার্ট ও টিম এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রিয় বাবা আজ পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। একজন মহান বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি। ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ।তার কাজ আর গ্রহণযোগ্যতা অটুট থাকবে বহু বছর।’ সাহস আর দৃঢ়তার পাশাপাশি তার মেধা আর রসবোধ বিশ্বজুড়ে মানুষকে প্রেরণা দিয়েছে।’

১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি ইংলান্ডের অক্সফোর্ডে জন্ম হকিং-এর। ১৯৬৩ সালে আক্রান্ত হন দূরারোগ্য মোটর নিউরন রোগে। চিকিৎসকরা তার আয়ু বেধে দেন দুই বছর। তবে সেই ভবিষ্যৎবাণীকে অতিক্রম করে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় তিনি পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন পদার্থ ও গণিতে অসামান্য অবদান রাখার মধ্য দিয়ে। চলার শক্তি হারালেও কম্পিউটারের সাহায্যে যোগাযোগ রক্ষা করতেন তিনি।