ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, স্থানীয় সময়: ০০:২৮:৩৮

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

নাশকতার মামলা এ জেড এম জাহিদসহ ২৪ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা ধর্ম অবমাননার মামলায় আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা যুক্তরাষ্ট্রে তেষ্টায় বন্দির মৃত্যু : ৩ কারা কর্মকর্তা অভিযুক্ত টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যার দায়ে চারজনের ফাঁসি কারাগারে খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হচ্ছে : আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের সত্যায়িত কপির জন্য দুপক্ষের আবেদন খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দিতে আদালতের নির্দেশ স্ত্রীকে হত্যার পর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে সম্বন্ধীর স্ত্রীকে হত্যা! যুদ্ধাপরাধে এবার ৩১তম রায়ের অপেক্ষা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা : নোয়াখালীর চার আসামীর রায় যে কোন দিন

খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দিতে আদালতের নির্দেশ

আইন ও মানবাধিকার | ২৯ মাঘ ১৪২৪ | Sunday, February 11, 2018

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জেলকোড অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার সকালে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে ডিভিশনের জন্য আবেদন করেন।

আদালত জেলকোড অনুযায়ী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঞা।

আদালত কর্তৃপক্ষই নিজের দায়িত্বে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে এই নির্দেশ পাঠাবে বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার আরেক আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

গত বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর পর থেকে তাঁকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি ভবনে রাখা হয়েছে।

একই মামলায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

গতকাল শনিবার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

বেরিয়ে এসে মওদুদ আহমদ জেলগেটে গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়া সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং একটি দলের প্রধান। কিন্তু কোনো ডিভিশন দেওয়া হয়নি। পরিচারিকা ফাতেমাকেও খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে অখাদ্য খেতে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ‘ডিভিশন সুবিধা ও পরিচারিকার জন্য আমরা আদালতে যাব। প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাব। সরকার যে বাইরে প্রপাগান্ডা (প্রচারণা) করছে, তাঁকে ডিভিশন সুবিধা দেওয়া হয়েছে, এটা সম্পূর্ণ অসত্য।’ তিনি বলেন, একটা ভাঙা বাড়িতে, একটা পরিত্যক্ত বাড়িতে কোনোরকমের কোনো সুযোগ-সুবিধা ছাড়া একাকী খালেদা জিয়া আছেন। সেখানে কোনো কারাবন্দি বা জনমানুষ নেই। এটা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী।