ঢাকা, অক্টোবর ২১, ২০১৮, ৬ কার্তিক ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৯:১৪:২৯
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে বঙ্গভবনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা বিনিময় মহাঅষ্টমীতে সোনারগাঁয়ের নগর জোয়ারে কমলা প্রিয়া বৈষ্ণবী আখড়ায় দূর্গাপূজা উপলক্ষে নিতাই সাহা,বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ ও অলোচনা সভা। মহাঅষ্টমীতে ফতুল্লায় শ্রীশ্রী পাগলনাথ ও রামসীতা মন্দিরের দূর্গাপূজা মন্ডপসহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু হেরিটেজ ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দ। নতুন স্বপ্ন নিয়ে ১৪ বছরে জবি নির্বাচনের অজুহাতে খুনিদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র চলছে : ইনু সামনে নির্বাচন, বিএনপি জামায়াতের নাশতার পরিকল্পনা অমূলক নয় : কাদের

দেশের খবর

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে বঙ্গভবনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা বিনিময় মহাঅষ্টমীতে সোনারগাঁয়ের নগর জোয়ারে কমলা প্রিয়া বৈষ্ণবী আখড়ায় দূর্গাপূজা উপলক্ষে নিতাই সাহা,বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ ও অলোচনা সভা। মহাঅষ্টমীতে ফতুল্লায় শ্রীশ্রী পাগলনাথ ও রামসীতা মন্দিরের দূর্গাপূজা মন্ডপসহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু হেরিটেজ ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দ। নতুন স্বপ্ন নিয়ে ১৪ বছরে জবি নির্বাচনের অজুহাতে খুনিদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র চলছে : ইনু সামনে নির্বাচন, বিএনপি জামায়াতের নাশতার পরিকল্পনা অমূলক নয় : কাদের

এসএলই কি নিরাময়যোগ্য?

স্বাস্থ্য ও বিনোদন | ১৮ আশ্বিন ১৪২৫ | Wednesday, October 3, 2018

 

এসএলই একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ। ছবি : সংগৃহীত

এসএলই একটি অটোইমিউন রোগ। এটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়,তবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এ রোগের বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২১৪তম পর্বে কথা বলেছেন ডা.ফয়সাল আহমেদ। বর্তমানে তিনি বিআরবি হাসপাতালের রিউমাটোলজি বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : এসএলই কি নিরাময়যোগ্য রোগ?

উত্তর : এসএলইটা আপনি একেবারেই নিরাময় করতে পারবেন না। এটি নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে হয়। এই রোগটিকে আমরা ওষুধ দিয়ে দমিয়ে রাখতে পারি। যখন কাজটা কমে যায়, তখন বেশি ডোজটা অল্প ডোজে এনে কমিয়ে নিয়ে আসতে পারি। কিন্তু সারা জীবনের জন্য ওষুধকে বন্ধ করা হয়তোবা সম্ভব হবে না। কিন্তু খুব কম সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে হয়তোবা এটা একবার হয়ে আর কখনো নাও আসতে পারে। এর সংখ্যা খুবই কম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ওষুধ দিয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কিছুদিন পর পর একটু রক্ত বা প্রস্রাব পরীক্ষা করে দেখতে হয় রোগটা কোন পর্যায়ে রয়েছে।