ঢাকা, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ন ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ০৭:৪৩:১৯

এনার্জি ড্রিংকস থেকে সাবধান! ভয়ানক স্বাস্থ্যঝুঁকি মৃত্যুরও ভয়

স্বাস্থ্য ও বিনোদন | ১৫ আশ্বিন ১৪২৫ | Sunday, September 30, 2018

ভয়ানক স্বাস্থ্যঝুঁকি মৃত্যুরও ভয়

যখন তখন মৃত্যুর ঝুঁকি, স্নায়ু-হূদযন্ত্র-কিডনি-লিভার-পাকস্থলীসহ ফুসফুসের ক্ষতি, নিশ্চিত ডায়াবেটিস, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, যৌনশক্তি লোপ, মানসিক বিকারগ্রস্ততা সৃষ্টির সমূহ অনুষঙ্গ নিয়ে দেশের বাজার সয়লাব বাহারি নামের অসংখ্য এনার্জি ড্রিংকসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিপজ্জনক উপাদান পাওয়ার পরও নতুন প্রজন্মের মাঝে এসব এনার্জি ড্রিংকস মিথ্যা ঘোষণায় বিক্রি করছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর কার্বোনেটেড বেভারেজের মোড়কে এসব ক্ষতিকর পণ্য উৎপাদন ও আমদানির অনুমতি দিচ্ছে খোদ মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআই। ক্ষতিকারক এসব এনার্জি ড্রিংকসের প্রচার-প্রসারে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আইডলদের মডেল করে প্রচার করা হচ্ছে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন। এসব বিজ্ঞাপন দেখে দেশের নতুন প্রজন্ম আকৃষ্ট হচ্ছে এনার্জি ড্রিংকস নামের পণ্যগুলোর প্রতি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এনার্জি ড্রিংকস নামের এসব পণ্য দ্রুত বাজার থেকে তুলে নেওয়া এবং আমদানি বন্ধের কথা বলেছে। একই সঙ্গে এসব পণ্যের মডেল হয়ে আইডলদের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়াকেও অনৈতিক মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমনিতেই খাদ্যাভ্যাসের কারণে মানুষের নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। ডায়াবেটিসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। তার ওপর জনস্বাস্থ্যের জন্য আরেক ভয়ানক উপদ্রব হয়ে এসেছে এনার্জি ড্রিংকস। এসব ড্রিংকসের বেশির ভাগই শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে স্নায়ুতান্ত্রিক বিরূপ প্রভাব খুবই বেশি।’

কনক কান্তি বড়ুয়া আরো বলেন, ‘এগুলো পরিহারের জন্য জনসচেতনতার পাশাপাশি উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নয়তো তরুণ প্রজন্ম আরো বেশি জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে পড়বে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে ব্যাপক হারে এনার্জি ড্রিংকসের ব্যবহার খুবই উদ্বেগের বিষয়। এসব ড্রিংকসের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা জোরালো করা জরুরি। একই সঙ্গে এসব এনার্জি ড্রিংকসের প্রচার-প্রচারণার বিরুদ্ধেও জনসচেতনতা জোরালো করা জরুরি।’

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে আরো বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব আছে—এমন কোনো ব্যক্তি ‘সিলডেনাফিল সাইয়েট্রেট’ পান বা সেবন করলে তাতে যখন-তখন মৃত্যুর

ঝুঁকি রয়েছে। এনার্জি ড্রিংকসের এই উপাদান পক্ষান্তরে ভোক্তাদের অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে এসব ড্রিংকসে অন্য যেসব উপাদান রয়েছে তাতেও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে। হূদরোগ, কিডনি বিকল, স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত তো হবেই। অন্যদিকে এনার্জি ড্রিংকসের উপাদান যেহেতু যৌন উদ্দীপক তাই এর মাধ্যমে সমাজে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহামুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এক কথায় বলতে গেলে সব ধরনের এনার্জি ড্রিংকসই মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো বন্ধ করা জরুরি। একই সঙ্গে আমদানি বন্ধ করাও জরুরি।’

ড. মাহামুদ আরো বলেন, ‘এসব ড্রিংকসে মাদক জাতীয় বা যৌন উত্তেজক উপাদান ছাড়াও চিনির পরিমাণ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা হয় না। এ ছাড়া রয়েছে নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। এসব পানীয় পান করার ফলে মানুষের স্নায়ু, হূদযন্ত্র, কিডনি, লিভার, পাকস্থলী ও ফুসফুসে নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যাপকভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তো রয়েছেই। তা ছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং যৌনশক্তি লোপ করে এ পানীয়। এসব ড্রিংকস পান করলে মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও অনেক বেশি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাতীয় মান না থাকা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মনিটরিং দুর্বলতার কারণে কার্বোনেটেড বেভারেজের লাইসেন্স নিয়ে এত দিন এসব এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদন ও আমদানি করে বাজারজাত করে আসছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বিএসটিআইয়ের সফট ড্রিংকস অ্যান্ড বেভারেজেস শাখা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সব ধরনের এনার্জি ড্রিংকস বাজারজাত বন্ধ করা হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষও (বিএফএসএ) দ্রুততম সময়ে  দেশের এসব এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়ে এসব পণ্যের উৎপাদন বন্ধ এবং বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে রেড বুলের মতো যেসব এনার্জি ড্রিংকস আমদানি করা হয় সেগুলোর আমদানি বন্ধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হবে।

বিএফএসএর সদস্য মো. মাহবুব কবির (অতিরিক্ত সচিব) কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কম্পানিগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও মনে রাখতে হবে তারা কার্বোনেটেড বেভারেজের লাইসেন্স নিয়ে এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদন করছে। এটা সরাসরি অপরাধ। আমরা তাদের চিঠি দিয়ে সময় দেব বাজার থেকে এসব পণ্য তুলে নিতে। কাস্টমসকে বলব আমদানি বন্ধ করতে।’

বিএফএসএ কর্তৃপক্ষ জানায়, কম্পানিগুলোর পণ্যের নাম নিয়ে সমস্যা নেই। কার্বোনেটেড বেভারেজের লাইসেন্স যারা নিয়েছে তারা ওই নামেই বেভারেজ বিক্রি করতে পারবে। তবে নির্দিষ্ট বিডিএস ১১২৩:২০১৩ কার্বোনেটেড বেভারেজেসের বাইরে যেতে পারবে না। কোনোভাবেই এসব পণ্যকে এনার্জি ড্রিংকসের আদলে তৈরি করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব ক্ষতিকর পণ্য বাজার থেকে তুলে না নিলে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে এএসটি বেভারেজ লিমিটেডের (এই কম্পানিটি রয়েল টাইগার, ব্ল্যাক হর্স উৎপাদন করে) চেয়ারম্যান আহমেদ হোসাইন টেলিফোনে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকটি এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এতে কম্পানিগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। সারা বিশ্বে যেখানে এনার্জি ড্রিংকস রয়েছে সেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এ বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরি না করে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা হাস্যকর। তবে সিদ্ধান্ত নিলে তো মানতেই হবে।’

এদিকে এনার্জি ড্রিংকসের কোনো ধরনের জাতীয় মান নেই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই)। ফলে বাজারে যেসব এনার্জি ড্রিংকস নামে বিক্রি হচ্ছে সেগুলো বৈধ নয়। এনার্জি ড্রিংকস বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত বিএসটিআই থেকে কার্বোনেটেড বেভারেজের লাইসেন্স নিয়ে এনার্জি ড্রিংকস বিক্রি করে আসছে, যা বিএসটিআই এত দিন দেখেও না দেখার ভান করে ছিল। প্রতিটি এনার্জি ড্রিংকসের বোতলের লেভেলে বিএসটিআইয়ের লোগো রয়েছে।

জানা গেছে, দেশীয় এনার্জি ড্রিংকসের মধ্যে রয়েল টাইগার, স্পিড, পাওয়ার, ব্ল্যাক হর্স, জিনসিন, স্ট্রং-৫০০, সেভেন হর্স ফিলিংস, জিনসিন প্লাস, জিন্টার জিনসিন, জাহান মাশরুম গোল্ড, এপি ফিজসহ আরো বহু নামের এনার্জি ড্রিংকস বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

কার্বোনেটেড বেভারেজ হিসেবে লাইসেন্স নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর এসব এনার্জি ড্রিংকসের সবগুলোতে ক্যাফেইনের মাত্রা পাওয়া গেছে অমুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন ল্যাবে করা পরীক্ষায় কিছু প্রতিষ্ঠানের এনার্জি ড্রিংকসের পরিমাণ পাওয়া গেছে ৩২০ মিলিগ্রাম/লিটার। যেখানে অনুমোদিত মাত্রা হলো ১৪৫ মিলিগ্রাম/লিটার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিনসিন, জাহান মাশরুম গোল্ড, সেভেন হর্স ফিলিংস, জিনসিন প্লাস, জিন্টার প্লাস জিনসিন, রুচিতা ফিলিংস, সেভেনএক্স পাওয়ার ফিলিংস, ডাবল হর্স, ফাস্ট কিংস এনার্জি ড্রিংকসগুলোর মধ্যে ‘সিলডেনাফিল সাইট্রেট’ নামের একটি উপাদান পাওয়া গেছে, যা ভায়াগ্রার উপাদান হিসেবে পরিচিত। এর ব্যবহার বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। কোনো কোনোটাতে আবার পাওয়া গেছে অ্যালকোহল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এসব পণ্যের পরীক্ষা করেছে বিসিএসআইআর এবং বিএসটিআই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ল্যাবে।

এর বাইরে আমদানি করা সবচেয়ে পরিচিত এনার্জি ড্রিংকস রেড বুল। এর লেভেলে ক্যাফেইনের মাত্রা উল্লেখ করা আছে ৩২০ মিলিগ্রাম/লিটার। তবে এনার্জি ড্রিংকসগুলোর লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই রেড বুলে ক্যাফেইন পেয়েছে ২৯৮.৭৭ মিলিগ্রাম/লিটার। আবার টাইগার, স্পিড, পাওয়ারের মতো এনার্জি ড্রিংকসে বিএসটিআই ক্যাফেইন পেয়েছে ১৪৫ মিলিগ্রাম/লিটারের নিচে। অথচ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বুয়েট, বিসিএসআইআর, আইপিএইচ ও বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করে ক্যাফেইন পেয়েছে ৩২০ মিলিগ্রাম/লিটার বা তারও ওপরে। আমদানি করা পণ্য রেড বুলে পাওয়া গেছে ৭০০ মিলিগ্রাম/লিটারের বেশি।

কার্বোনেটেড বেভারেজের লাইসেন্স নিয়ে এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদন করলেও বিএসটিআই দেখেও না দেখার ভান করত বলে অভিযোগ রয়েছে। যার প্রমাণ মেলে তাদের পরীক্ষার ক্ষেত্রেও। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিএসটিআইসহ দেশের বিভিন্ন স্বীকৃত ল্যাবে পরীক্ষা করে ক্যাফেইনের মাত্রা বেশি পেলেও বিএসটিআই পরীক্ষা করলে সেটি বেশি হয় না।

বিএসটিআইয়ের পরিচালক (মান) ইঞ্জিনিয়ার মো. ইসহাক আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কার্বোনেটেড বেভারেজ নিয়ে ক্যাফেইন বেশি দিয়ে এনার্জি ড্রিংকস উৎপাদন করছে, এমনটা জানা নেই। আমাদের কোনো পরীক্ষাতেও ধরা পড়েনি। তবে অনেকের বিজ্ঞাপন দেখে মনে হয় তারা এনার্জি ড্রিংকস বিক্রি করছে। যে কারণে তাদের বিজ্ঞাপন পরিবর্তনের জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়েছি।’

সম্প্রতি বিএসটিআইয়ের সফট ড্রিংকস অ্যান্ড বেভারেজেস শাখা কমিটি এনার্জি ড্রিংকস জাতীয় মান প্রণয়ন ‘না’ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং কার্বোনেটেড বেভারেজেস ব্যতীত ‘এনার্জি ড্রিংকস’ বা অন্য কোনো নামে পণ্য উৎপাদন বা আমদানি ও বাজারজাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এনার্জি ড্রিংকসে ‘সিলডেনাফিল সাইয়েট্রেট’ থাকার বিষয়ে অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ‘আগে আমাদের দেশে এই উপাদানটি নিষিদ্ধ ছিল। একপর্যায়ে দেশে ওষুধ প্রস্তুতকারী কম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে যৌন উদ্দীপক এই উপাদানটি চালুর দাবি জানানোর পর সরকার শুধু ওষুধ আকারে তা চালুর অনুমোদন দেয়। কিন্তু এই উপাদান দিয়ে তৈরি ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন বা বেচাকেনা নিষিদ্ধ। এ ক্ষেত্রে অসাধু কোনো চক্র ওষুধ প্রস্তুতের নামে এর কাঁচামাল আমদানি করে হয়তো মিটফোর্ড বা এনার্জি ড্রিংকস প্রস্তুতকারীদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে।’