ঢাকা, এপ্রিল ২০, ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬, স্থানীয় সময়: ০৪:৩১:২০

উপজেলা পরিষদের মধ্যেই ডিএনসিসির নির্বাচন : সিইসি

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ৩ মাঘ ১৪২৫ | Wednesday, January 16, 2019

 

nurul huda new cec of bangladesh প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আগামী মার্চ মাসে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ইঙ্গিত দিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে এমন ইঙ্গিত দেন সিইসি। এর আগে দুপুরে ডিএনসিসির স্থগিত থাকা নির্বাচনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ‍তুলে দেন হাইকোর্ট।

সিইসি বলেন, বিষয়টি নিয়ে কমিশনের সঙ্গে বসতে হবে। আমরা তাড়াতাড়ি ডিএনসিসির নির্বাচন করে ফেলব।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কে এম নূরুল হুদা বলেন, মার্চে শুরু হওয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের মধ্যেই ডিএনসিসি নির্বাচন করা হবে। তবে এ বিষয়ে কমিশনে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখানে পুনরায় তফসিল করা হবে। বসতে হবে সবার সঙ্গে। তাড়াতাড়ি করে ফেলব। উপজেলা নির্বাচন প্রভাব ফেলবে না। এর মাঝখানেই করে ফেলব।

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তফসিল দিয়ে মার্চের প্রথম থেকে পাঁচ ধাপে উপজেলা নির্বাচন করা হবে বলে এর আগে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

২০১৮ সালের ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি ডিএনসিসি (নতুন ১৮টি ওয়ার্ডসহ) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেন আদালত।

একই বছরের ৯ জানুয়ারি ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচন, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৮ জানুয়ারি সে তফসিল ‍অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল। আর ভোটগ্রহণের কথা ছিল ২৬ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু আদালত ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন।

ওই তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ১৬ জানুয়ারি ভাটারা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান এবং বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ১৭ জানুয়ারি শুনানি শেষে আদালত ওই তফসিলের ওপর সব কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে ওই নির্বাচনের জন্য তফসিল কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় ৩১ জানুয়ারি। তার আগেই তফসিল ঘোষণা করায়, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত না হওয়ায় কীভাবে প্রার্থী হবেন এবং ৩০০ ভোটার সমর্থকের স্বাক্ষর নেবেন। এ ছাড়া যারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন তাদের মেয়াদ কি আড়াই বছর না পাঁচ বছর হবে- এসব প্রশ্নকে সামনে রেখে ওই রিট আবেদনটি করা হয়েছিল।