ঢাকা, নভেম্বর ২২, ২০১৮, ৮ অগ্রহায়ন ১৪২৫, স্থানীয় সময়: ১৭:৪৬:২১

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক কাল ‘বাংলাদেশকে আর কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’ মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজদেশে ফেরত নিতে হবে : ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিখোঁজ’ হওয়ার সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীত্বকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি : প্রধানমন্ত্রী কোনো দলই নিল না আশরাফুলকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক রহমান

আপসহীন আন্দোলন চালিয়ে যাবে ঐক্যফ্রন্ট: ড. কামাল

দেশের খবর, প্রধান সংবাদ | ২২ কার্তিক ১৪২৫ | Tuesday, November 6, 2018

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভা।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, ঐক্যবদ্ধ থাকব। ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল সিদ্ধান্ত নেব। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপসহীন আন্দোলন চালিয়ে যাব।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এদেশের মালিকানা সকলের উল্লেখ করে ড. কামাল বলেন, আপনারা দেশের মালিক, আপনারা মালিক হিসেবে আছেন। আজকে আমরা মালিকরা বসে থাকতে পারিনা, আপনারা সকলকে বুঝাবেন। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে গণতন্ত্র মূল্যহীন থাকে। আপনাদের সবাইকে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দাঁড়াতে হবে।

ড. কামাল হোসেন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এই সরকার যখন গঠন হলো তখন আমি কোর্টে ছিলাম, তখন বলেছিলেন আরেকটি নির্বাচন দেব, ২০১৫ গেল, ২০১৬ গেল কই নির্বাচন দিলেন না। এই সরকারেরর কথার এক পয়সার দাম নেই।

এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ গ্রেফতার রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করে বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। যেন তেনভাবে বিরোধীদের সবাইকে গ্রেফতার ও হয়রানি করা চলবে না। আইন বিরোধীদলের জন্য এক রকম আর সরকারি দলের জন্য এক রকম, এটা চলতে পারে না। একটা অনির্বাচিত সরকার এটা করতে পারে না। অমি অবশ্যই খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, সাথে অন্যান্য রাজবন্দিদের মুক্তি চাই।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

জনসভায় প্রথমবারের মতো কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী যোগ দেন।

এছাড়া সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন, সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, ড. সুকোমল বড়ুয়া, আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স ও শামা ওবায়েদ প্রমুখ উপস্থিত হয়েছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় জড়ো হতে থাকেন ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।

রাজধানীসহ ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে উদ্যানে প্রবেশ করেন।

এ সময় তাদের হাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়।